সেলাই করার সুচকে নারিকেল তেলের ভিতর ডুবিয়ে রাখা হয় কেন? লােহার তৈরি সুচে কীভাবে মরিচা পড়া রােধ করা যায়?

সেলাই করার সুচকে নারিকেল তেলের ভিতর ডুবিয়ে রাখা হয়: কারণ সুচ যাতে বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সংস্পর্শে আসতে না পারে এবং এর সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে ক্ষয় না হয়। এভাবে লােহার তৈরি সুচে মরিচা পড়া রােধ করা যায়।

বর্ষাকালে ছাদ বা বাড়ির আঙিনা পিচ্ছিল হলে বালি দেওয়া হয় কেন?

বর্ষাকালে ছাদ বা বাড়ির আঙিনা পিচ্ছিল হলে বালি দেওয়া হয়: বর্ষাকালে ছাদ বা বাড়ির আঙিনা পিচ্ছিল হয়। তখন আমরা বালি ফেলে দিয়ে পিচ্ছিলতা কমানাের চেষ্টা করি। ছাদ বা আঙিনাকে পিচ্ছিল করে ক্ষার জাতীয় পদার্থ। সুতরাং এ ক্ষারকে প্রশমিত করার জন্য এসিড জাতীয় পদার্থ যােগ করতে হয় । বালু (SiO2) অম্লধর্মী। তাই বালু যােগ করার ফলে …

বর্ষাকালে ছাদ বা বাড়ির আঙিনা পিচ্ছিল হলে বালি দেওয়া হয় কেন? Read More »

মরিচা রোধের উপায়সমূহ আলোচনা করো অথবা লোহাকে মরিচার হাত থেকে রক্ষার উপায়সমূহ ব্যাখ্যা কৰো

মরিচা রোধের উপায়সমূহ: আয়রন বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে আর্দ্র ফেরিক অক্সাইড বা মরিচা তৈরি করে।  আমরা যে কোনো উপায়ে যদি লোহা বা আয়রনকে অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সংস্পর্শে আসতে না দেই তবে লোহাকে মরিচার হাত থেকে রক্ষা করা যাবে। নিচে মরিচা রােধের উপায়সমূহ আলোচনা করা হলো: (i) মরিচার ক্ষয় থেকে আয়রনকে …

মরিচা রোধের উপায়সমূহ আলোচনা করো অথবা লোহাকে মরিচার হাত থেকে রক্ষার উপায়সমূহ ব্যাখ্যা কৰো Read More »

মিথেন গ্যাসকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় কেন ? প্রাকৃতিক গ্যাসকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় কেন ?

মিথেন গ্যাসকে বা প্রাকৃতিক গ্যাস জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়: প্রাকৃতিক গ্যাসে বেশির ভাগই মিথেন থাকে। মিথেন গ্যাসকে অক্সিজেনে পােড়ালে CO2 এবং জলীয় বাষ্প ও তাপশক্তি উৎপন্ন হয়।  CH4 + 2O2  → CO2 + 2H2O + শক্তি CNG, ডিজেল, পেট্রল, কেরােসিন, অকটেন ইত্যাদি জ্বালানিকে পােড়ালেও একই ভাবে CO2 এবং জলীয় বাষ্প ও তাপশক্তি উৎপন্ন হয়।

পেটে এসিডিটি হলে আমরা এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ খাই কেন ?

পেটে এসিডিটি হলে আমরা এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ খাই: মানুষের শরীরের বিপাক ক্রিয়ায় অনেকের পাকস্থলীতে অতিরিক্ত HCl তৈরি হয়। অতিরিক্ত HCl কে প্রশমিত করার জন্য আমরা এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ খাই । এন্টাসিড হলাে Mg(OH)2 ও Al(OH)3 এর মিশ্রণ। এই ক্ষারক দুটি অতিরিক্ত HCl কে প্রশমিত করে এবং আমরা  এসিডিটি থেকে মুক্তি পাই । এন্টাসিডের বিক্রিয়া নিম্নরূপ …

পেটে এসিডিটি হলে আমরা এন্টাসিড জাতীয় ওষুধ খাই কেন ? Read More »

শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কীভাবে শক্তি উৎপাদন হয়?

শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন: আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষে শ্বসন প্রক্রিয়া সাধিত হয়। শ্বসনে মূলত গ্লুকোজ (C6H12O6) অণু অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়ে (O2 এর সাথে বিক্রিয়া করে) কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2), পানি (H2O) ও শক্তি উৎপন্ন করে।। C6H12O6 + 6O2 → 6CO2+ 6H2O + শক্তি এভাবে শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন হয় ।

পিঁপড়া বা মৌমাছির কামড়ের জ্বালা নিরাময় চুন জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয় কেন?

পিঁপড়া বা মৌমাছির কামড়ের জ্বালা নিরাময় চুন জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয়: পিঁপড়া বা মৌমাছি কামড়ালে ক্ষতস্থানে জ্বালা যন্ত্রণা করে। এ যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য আমরা ক্ষতস্থানে চুন লাগাই। কারণ পিঁপড়ার মুখ বা মৌমাছির হুলে এক ধরনের এসিড থাকে যেটি জ্বালা-যন্ত্রণার সৃষ্টি করে। ক্ষতস্থানে চুন (ক্ষারক) যােগ করার ফলে এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে সেটি …

পিঁপড়া বা মৌমাছির কামড়ের জ্বালা নিরাময় চুন জাতীয় পদার্থ ব্যবহার করা হয় কেন? Read More »

কপার ও লােহাকে যদি খােলা অবস্থায় বাতাসে রাখা হয় তবে একটি মৌল ক্ষয়প্রাপ্ত হলেও অন্যটি হয় না—সমীকরণসহ ব্যাখা কর।

কপার ও লােহাকে যদি খােলা অবস্থায় বাতাসে রাখা হয় তবে লােহা ক্ষয় প্রাপ্ত হয় কিন্তু কপার  ক্ষয়প্রাপ্ত হয় না। কারণ Cu এর দ্রব্যাদির বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এলে প্রথমে তাদের উপর CuO এর একটি আস্তরণ পড়ে।  2Cu + O2 → 2CuO পরবর্তীতে বাতাসের অক্সিজেন উক্ত আস্তরণ ভেদ করে আর Cu সংস্পর্শে আসতে পারে না। ফলে আর …

কপার ও লােহাকে যদি খােলা অবস্থায় বাতাসে রাখা হয় তবে একটি মৌল ক্ষয়প্রাপ্ত হলেও অন্যটি হয় না—সমীকরণসহ ব্যাখা কর। Read More »

CuO ও Al2O3 যথাক্রমে Cu ও Al কে কীভাবে রক্ষা করে?

CuO ও Al2O3 যথাক্রমে Cu ও Al কে  রক্ষা করে:  Cu ও Al এর দ্রব্যাদির বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এলে প্রথমে তাদের উপর CuO ও Al2O3 এর একটি আস্তরণ পড়ে।  2Cu + O2 → 2CuO 4Al + 3O2 → 2 Al2O3  পরবর্তীতে বাতাসের অক্সিজেন উক্ত আস্তরণ ভেদ করে আর Cu বা Al সংস্পর্শে আসতে পারে না। …

CuO ও Al2O3 যথাক্রমে Cu ও Al কে কীভাবে রক্ষা করে? Read More »

ইলেকট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎ প্রলেপন কাকে বলে ? তড়িৎ প্রলেপন কী? ইলেকট্রোপ্লেটিং বলতে কী বোঝ?

ইলেকট্রোপ্লেটিং বা তড়িৎ প্রলেপন: তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে একটি সক্রিয় ধাতুর উপর অন্য একটি কম সক্রিয় ধাতুর প্রলেপ দেওয়ার প্রক্রিয়াগুলােকে ইলেকট্রোপ্লেটিং বলে।

ইথিলিন থেকে পলিথিন উৎপন্ন হওয়া একটি পলিমারকরণ বিক্রিয়া।ব্যাখ্যা কর।

ইথিলিন থেকে পলিথিন উৎপন্ন: আমরা জানি, যে বিক্রিয়ায় প্রভাবক, উচ্চ চাপ ও তাপের প্রভাবে যখন এক বা একাধিক যৌগের অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটি বৃহদাকার অণু তৈরি করে তখন তাকে পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলে। 1200 atm চাপে 200 °C তাপমাত্রায় ও O2 প্রভাবকের উপস্থিতিতে ইথিলিনের অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু যুক্ত হয়ে বৃহৎ …

ইথিলিন থেকে পলিথিন উৎপন্ন হওয়া একটি পলিমারকরণ বিক্রিয়া।ব্যাখ্যা কর। Read More »

পলিমার কাকে বলে? পলিমার কী? পলিমার কাকে বলে? পলিমার এর সংজ্ঞা দাও।

পলিমার: পলিমারকরণ বিক্রিয়ার  ফলে উৎপন্ন উৎপাদকে পলিমার বলে। পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় মনোমার পদার্থসমূহ পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে যে পদার্থ উৎপন্ন করে তাকে পলিমার বলে।

মনােমার কাকে বলে? মনােমার কী? মনােমার বলতে কী বোঝ?

মনােমার: যে সরল ক্ষুদ্র অণুগুলি দিয়ে বৃহৎ পলিমার গঠিত হয় তাদের মনোমার (monomer-একক অংশ) বলে । অর্থাৎ পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কসমূহকে মনোমার বলে। অথবা  যে সকল বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে পলিমার গঠন করে তাদেরকে মনোমার বলে।

পলিমারকরণ (Polymerization) বিক্রিয়া কাকে বলে? পলিমারকরণ বিক্রিয়া কী? পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

পলিমারকরণ (Polymerization) বিক্রিয়া: যে বিক্রিয়ায় প্রভাবক, উচ্চ চাপ ও তাপের প্রভাবে এক বা একাধিক যৌগের অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটি বৃহদাকার অণু তৈরি করে তাকে পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলে। যে বিক্রিয়ায় অসংখ্য মনোমার থেকে পলিমার উৎপন্ন হয় তাকে পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলে। যেমন:1200 atm চাপে 200 °C তাপমাত্রায় ও O2 প্রভাবকের উপস্থিতিতে ইথিলিনের …

পলিমারকরণ (Polymerization) বিক্রিয়া কাকে বলে? পলিমারকরণ বিক্রিয়া কী? পলিমারকরণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? Read More »

NH4CNO (অ্যামােনিয়াম সায়ানেট) ও ইউরিয়া (H2N-CO-NH2) পরস্পরের সমানু- ব্যাখ্যা কর।

NH4CNO (অ্যামােনিয়াম সায়ানেট) ও ইউরিয়া (H2N-CO-NH2) পরস্পরের সমানু: আমরা জানি, যদি দুটি যৌগের আণবিক সংকেত একই থাকে কিন্তু গাঠনিক সংকেত ভিন্ন হয় তবে তাদেরকে পরস্পরের সমানু বলা হয়। অ্যামােনিয়াম সায়ানেট ও ইউরিয়া পরস্পরের সমানু । কারণ অ্যামােনিয়াম সায়ানেট ও ইউরিয়া উভয়েরই আণবিক সংকেত H4N2CO। এদের গাঠনিক সংকেত যথাক্রমে NH4CNO (অ্যামােনিয়াম সায়ানেট) ও (H2N-CO-NH2) (ইউরিয়া)। যেহেতু …

NH4CNO (অ্যামােনিয়াম সায়ানেট) ও ইউরিয়া (H2N-CO-NH2) পরস্পরের সমানু- ব্যাখ্যা কর। Read More »

সমানুকরণ (Isomerisation) বিক্রিয়া কাকে বলে? সমানুকরণ বিক্রিয়া কী? সমানুকরণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

সমানুকরণ (Isomerisation) বিক্রিয়া: একটি সমানু থেকে অপর একটি সমানু তৈরির প্রক্রিয়াকে সমানুকরণ বিক্রিয়া বলে।   

(i) FeCl3 + 3H2O → Fe(OH)3 + 3HCl ( ii) CaCl2 + 6H2O → CaCl2.6H2O উভয় বিক্রিয়া পানির উপস্থিতিতে সংঘটিত হলেও বিক্রিয়ার ধরণ ভিন্ন- কারণ বিশ্লেষণ কর। পানিযােজন বিক্রিয়া ও আর্দ্র বিশ্লেষণ বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া এক নয় কেন? ব্যাখ্যা কর। আর্দ্র বিশ্লেষণ বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া ও পানিযােজন বিক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর।

( i) FeCl3 + 3H2O → Fe(OH)3 + 3HCl ( ii) CaCl2 + 6H2O → CaCl2.6H2O উভয় বিক্রিয়া পানির উপস্থিতিতে সংঘটিত হলেও বিক্রিয়ার ধরণ ভিন্ন: প্রদত্ত বিক্রিয়া দুটি পানির উপস্থিতিতে সংঘটিত হলেও বিক্রিয়া দুটি দুই ধরণের।  (i) নং বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ  FeCl3 + 3H2O → Fe(OH)3 + 3HCl বিক্রিয়াটি একটি আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া। কারণ আমরা জানি, …

(i) FeCl3 + 3H2O → Fe(OH)3 + 3HCl ( ii) CaCl2 + 6H2O → CaCl2.6H2O উভয় বিক্রিয়া পানির উপস্থিতিতে সংঘটিত হলেও বিক্রিয়ার ধরণ ভিন্ন- কারণ বিশ্লেষণ কর। পানিযােজন বিক্রিয়া ও আর্দ্র বিশ্লেষণ বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া এক নয় কেন? ব্যাখ্যা কর। আর্দ্র বিশ্লেষণ বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া ও পানিযােজন বিক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় কর। Read More »

পানিযােজন বিক্রিয়া কোন ধরণের বিক্রিয়ার মতাে ?

পানিযােজন বিক্রিয়া মূলত সংযােজন বিক্রিয়ার মতাে। তবে সংযােজন বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের আদানপ্রদান ঘটে কিন্তু পানিযােজনে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে না। (i) FeCl3 + 3H2O → Fe(OH)3 + 3HCl ( ii) CaCl2 + 6H2O → CaCl2.6H2O

বিভিন্ন কেলাসের রাসায়নিক নামসহ সংকেত লেখো

বিভিন্ন কেলাসের রাসায়নিক নামসহ সংকেত: CuSO4 + 5H2O → CuSO4.5H2O (পেন্টা হাইড্রেট কপার সালফেট)  ZnSO4 + 7H2O  →  ZnSO4.7H2O  (হেপ্টা হাইড্রেট জিংক সালফেট)  ( সাদা ভিট্রিয়ল ) FeSO4  + 7H2O  →  FeSO4.7H2O (হেপ্টা হাইড্রেট ফেরাস সালফেট) ( সবুজভিট্রিয়ল )  CaCl2  + 6H2O  → CaCl2.6H2O(হেক্সা হাইড্রেট ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড) MgCl2  + 7H2O  → MgCl2.7H2O (হেপ্টা হাইড্রেট ম্যাগনেসিয়াম …

বিভিন্ন কেলাসের রাসায়নিক নামসহ সংকেত লেখো Read More »

পানিযােজন বিক্রিয়া কাকে বলে? হাইড্রেশন বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

পানিযােজন বিক্রিয়া বা হাইড্রেশন বিক্রিয়া: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো আয়নিক যৌগ কেলাস বা স্ফটিক গঠনের জন্য এক বা একাধিক পানির অণুর সাথে যুক্ত হয় তাকে পানিযােজন বিক্রিয়া বা হাইড্রেশন বিক্রিয়া বলে। যেমন : জিঙ্ক সালফেটের সাথে ৭ অণু পানি যুক্ত হয়ে  হেপ্টা হাইড্রেট জিংক সালফেট  বা (সাদা ভিট্রিয়ল ) উৎপন্ন করে। ZnSO4 + 7H2O  →  …

পানিযােজন বিক্রিয়া কাকে বলে? হাইড্রেশন বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? Read More »

কেলাস পানি কাকে বলে? কেলাস পানি কী? কেলাস পানি বলতে কী বোঝ?

কোনো আয়নিক যৌগ কেলাস বা স্ফটিক গঠনের জন্য  যৌগের সাথে যে কয়টি পানির অণু  অপরিহার্য অংশ  হিসাবে যুক্ত থাকে তাদেরকে কেলাস পানি বলে।  যেমন: কপার সালফেট (CuSO4) এর সাথে 5 অণু পানি (5H2O) যুক্ত হয়ে পেন্টা হাইড্রেট কপার সালফেট (CuSO4.5H2O) উৎপন্ন হয়। CuSO4                +   5H2O →    …

কেলাস পানি কাকে বলে? কেলাস পানি কী? কেলাস পানি বলতে কী বোঝ? Read More »

কখন একটি আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হতে পারে?

একটি আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হতে পারে-ব্যাখ্যা: কোনাে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক হিসেবে পানি অন্য কোনাে যৌগের সাথে বিক্রিয়া করে উৎপাদ উৎপন্ন করলে তাকে আর্দ্র বিশ্লেষণ বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে। আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়ায় অনেক সময় অস্বচ্ছ দ্রবণীয় যৌগ উৎপন্ন করে। সেক্ষেত্রে বিক্রিয়াটি অধঃক্ষেপণ হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে। যেমন: AlCl3 ও H2O বিক্রিয়া …

কখন একটি আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া হিসেবে বিবেচিত হতে পারে? Read More »

আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া বা পানি বিশ্লেষণ (Hydrolysis) বিক্রিয়া কাকে বলে?

আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া বা পানি বিশ্লেষণ (Hydrolysis) বিক্রিয়া: কোনাে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক হিসেবে পানি অন্য কোনাে যৌগের সাথে বিক্রিয়া করে উৎপাদ উৎপন্ন করলে তাকে আর্দ্র বিশ্লেষণ বা পানি বিশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে। অথবা যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় কোনো যৌগ পানির দ্বারা বিশ্লেষিত হয়ে নতুন যৌগ উৎপন্ন করে তাকে আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে। যেমন:সিলিকন ক্লোরাইড পানির সাথে বিক্রিয়া …

আর্দ্র বিশ্লেষণ বিক্রিয়া বা পানি বিশ্লেষণ (Hydrolysis) বিক্রিয়া কাকে বলে? Read More »

সােডিয়াম ক্লোরাইডের জলীয় দ্রবণে সিলভার নাইট্রেটের জলীয় দ্রবণ যােগ করলে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় কিন্তু পটাসিয়াম নাইট্রেটের জলীয় দ্রবণ যােগ করলে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় না – বিশ্লেষণ করো।

সােডিয়াম ক্লোরাইডের জলীয় দ্রবণে সিলভার নাইট্রেটের জলীয় দ্রবণ যােগ করলে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় কিন্তু পটাসিয়াম নাইট্রেটের জলীয় দ্রবণ যােগ করলে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় না – বিশ্লেষণ:   একই দ্রাবকে দুটি যৌগ মিশ্রিত করলে তারা পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে যে উৎপাদগুলাে উৎপন্ন করে তাদের মধ্যে কোনােটি যদি ঐ দ্রাবকে অদ্রবণীয় বা খুবই কম পরিমাণে দ্রবণীয় হয় …

সােডিয়াম ক্লোরাইডের জলীয় দ্রবণে সিলভার নাইট্রেটের জলীয় দ্রবণ যােগ করলে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় কিন্তু পটাসিয়াম নাইট্রেটের জলীয় দ্রবণ যােগ করলে অধঃক্ষেপ উৎপন্ন হয় না – বিশ্লেষণ করো। Read More »

NaCl(aq) + AgNO3(aq) → কী ঘটে ব্যাখ্যা করো । NaCl জলীয় দ্রবণে সিলভার নাইট্রেট AgNO3 জলীয় দ্রবণ যােগ

NaCl(aq) + AgNO3(aq) → ? এর ব্যাখ্যা: যে বিক্রিয়ায় তরল বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে কঠিন উৎপাদে পরিণত হয় তাকে অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া বলে। সােডিয়াম ক্লোরাইডের (NaCl) জলীয় দ্রবণের মধ্যে সিলভার নাইট্রেট (AgNO3) জলীয় দ্রবণ যােগ করলে তাদের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটে, ফলে সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) এবং সােডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3) উৎপন্ন হয়। পানিতে NaNO3 এর দ্রবণীয়তা বেশি। তাই …

NaCl(aq) + AgNO3(aq) → কী ঘটে ব্যাখ্যা করো । NaCl জলীয় দ্রবণে সিলভার নাইট্রেট AgNO3 জলীয় দ্রবণ যােগ Read More »

অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া কাকে বলে ? অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া কী? অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া: যে বিক্রিয়ায় তরল বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে কঠিন উৎপাদে পরিণত হয় তাকে অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া বলে। যেমন: সােডিয়াম ক্লোরাইডের (NaCl) জলীয় দ্রবণের মধ্যে সিলভার নাইট্রেট (AgNO3) জলীয় দ্রবণ যােগ করলে তাদের মধ্যে বিক্রিয়া ঘটে, ফলে সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) এবং সােডিয়াম নাইট্রেট (NaNO3) উৎপন্ন হয়। পানিতে NaNO3 এর দ্রবণীয়তা বেশি। তাই NaNO3 পানিতে দ্রবীভূত অবস্থায় …

অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া কাকে বলে ? অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া কী? অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? Read More »

অধঃক্ষেপ (precipitate) কাকে বলে? অধঃক্ষেপ কী? অধঃক্ষেপ বলতে কী বোঝ?

অধঃক্ষেপ (precipitate): একই দ্রাবকে দুটি যৌগ মিশ্রিত করলে তারা পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে যে উৎপাদগুলাে উৎপন্ন করে তাদের মধ্যে কোনােটি যদি ঐ দ্রাবকে অদ্রবণীয় বা খুবই কম পরিমাণে দ্রবণীয় হয় তবে তা বিক্রিয়া পাত্রের তলায় কঠিন অবস্থায় তলানি হিসেবে জমা হয়। এ তলানিকে অধঃক্ষেপ (precipitate) বলে। অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

একটি তীব্র এসিডকে একটি তীব্র ক্ষার দ্বারা প্রশমিত করলে প্রশমন তাপ প্রায় ধ্রুবক হয়-ব্যাখ্যা করো । পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রশমন তাপ প্রায় ধ্রুবক হয়-ব্যাখ্যা করো ।

একটি তীব্র এসিডকে একটি তীব্র ক্ষার দ্বারা প্রশমিত করলে প্রশমন তাপ প্রায় ধ্রুবক হয়: একটি এসিড ও একটি ক্ষার পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে প্রশমিত হয়ে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। এ ধরণের বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া  বা প্রশমন বিক্রিয়া বলা হয়।    এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় 1 মােল পানি উৎপন্ন করতে যে পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয় …

একটি তীব্র এসিডকে একটি তীব্র ক্ষার দ্বারা প্রশমিত করলে প্রশমন তাপ প্রায় ধ্রুবক হয়-ব্যাখ্যা করো । পটাসিয়াম হাইড্রোক্সাইড ও নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রশমন তাপ প্রায় ধ্রুবক হয়-ব্যাখ্যা করো । Read More »

দর্শক আয়ন কাকে বলে ? দর্শক আয়ন কী? দর্শক আয়ন বলতে কী বোঝ ?-ব্যাখ্যা করো ।

যে সকল আয়ন জলীয় দ্রবণে বিক্রিয়ক ও উৎপাদের সঙ্গে উপস্থিত থাকে কিন্তু বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে না  তাদেরকে দর্শক আয়ন বলে। যেমন : HCl ও NaOH পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে NaCl লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।  HCl(aq) + NaOH(aq) → NaCl(aq) + H2O(l) উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় Na+  ও Cl– দর্শক আয়ন। কারণ প্রকৃতপক্ষে এই প্রশমন বিক্রিয়ায় এসিড …

দর্শক আয়ন কাকে বলে ? দর্শক আয়ন কী? দর্শক আয়ন বলতে কী বোঝ ?-ব্যাখ্যা করো । Read More »

HCl(aq) + NaOH(aq) → NaCl(aq) + H2O(l) একটি প্রশমন বিক্রিয়া / নন-রেডক্স বিক্রিয়া / তাপােৎপাদী বিক্রিয়া -ব্যাখ্যা করো । প্রশমন বিক্রিয়া রেডক্স বিক্রিয়া নয় কেন -ব্যাখ্যা করো ।

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি এসিড ও একটি ক্ষার পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে প্রশমিত হয়ে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, তাকে  প্রশমন বিক্রিয়া বলে। প্রদত্ত বিক্রিয়াটি HCl(aq) + NaOH(aq) → NaCl(aq) + H2O(l). এই বিক্রিয়ায়  HCl ও NaOH পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে NaCl লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। তাই এটি একটি প্রশমন বিক্রিয়া।  যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায়  …

HCl(aq) + NaOH(aq) → NaCl(aq) + H2O(l) একটি প্রশমন বিক্রিয়া / নন-রেডক্স বিক্রিয়া / তাপােৎপাদী বিক্রিয়া -ব্যাখ্যা করো । প্রশমন বিক্রিয়া রেডক্স বিক্রিয়া নয় কেন -ব্যাখ্যা করো । Read More »

প্রশমন তাপ কাকে বলে? প্রশমন তাপ কী? প্রশমন তাপ বলতে কী বোঝ?

প্রশমন তাপ: এসিড ও ক্ষারের বিক্রিয়ায় 1 মােল পানি উৎপন্ন করতে যে পরিমাণ তাপ উৎপন্ন হয় তাকে প্রশমন তাপ বলে।  যেমন: 1 মােল HCl ও 1 মােল NaOH পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে 1 মােল NaCl লবণ ও 1 মােল পানি উৎপন্ন করে। বিক্রিয়াটির ফলে  57.34 kJ তাপ উৎপন্ন হয়। সুতরাং প্রশমন তাপ 57.34 kJ ।

এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া কাকে বলে? এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া কী? এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া : একটি এসিড ও একটি ক্ষার পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে প্রশমিত হয়ে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে। এ ধরণের বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া বলা হয়।  যেমন : HCl ও NaOH পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে NaCl লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।  HCl(aq) + NaOH(aq) → NaCl(aq) + H2O(l) ইহা একটি এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া। মূলত প্রশমন বিক্রিয়াকেই …

এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া কাকে বলে? এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া কী? এসিড-ক্ষার বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? Read More »

প্রশমন বিক্রিয়া কাকে বলে? প্রশমন বিক্রিয়া কী? প্রশমন বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় একটি এসিড ও একটি ক্ষার পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে প্রশমিত হয়ে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে, তাকে  প্রশমন বিক্রিয়া বলে। যেমন : HCl ও NaOH পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে NaCl লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।  HCl(aq) + NaOH(aq) → NaCl(aq) + H2O(l) ইহা একটি প্রশমন বিক্রিয়া। প্রশমন বিক্রিয়াকে এসিড-ক্ষার বিক্রিয়াও বলা হয়।

নন-রেডক্স বিক্রিয়া কাকে বলে? নন-রেডক্স বিক্রিয়া কী? নন-রেডক্স বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

নন-রেডক্স বিক্রিয়া: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায়  ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে না অর্থাৎ কোনাে পরমাণুর জারণ সংখ্যার হ্রাস বা বৃদ্ধি ঘটে না, তাকে নন-রেডক্স বিক্রিয়া বলে । যেমন: প্রশমন বিক্রিয়া, অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়া ইত্যাদি । প্রশমন বিক্রিয়ার  সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা  অধঃক্ষেপণ বিক্রিয়ার সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা 

প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া কাকে বলে? ব্যাখ্যা করো ।

প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া: কোনাে অধিক সক্রিয় মৌল বা যৌগমূলক অপর কোনাে কম সক্রিয় মৌল বা যৌগমূলককে প্রতিস্থাপন করে নতুন যৌগ উৎপন্ন করার প্রক্রিয়াকে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বলে। যেমন: জিংক ধাতু সালফিউরিক এসিডের হাইড্রোজেনকে প্রতিস্থাপিত করে জিংক সালফেট ও হাইড্রোজেন গ্যাস উৎপন্ন করে। এটি প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার উদাহারণ: Zn(s)   + H2SO4(l)   →  ZnSO4(aq) + H2 (g)

দহন বিক্রিয়া জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত -ব্যাখ্যা করো । দহন বিক্রিয়া একটি রেডক্স বিক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

দহন বিক্রিয়া জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায বিক্রিয়কসমূহের মধ্যে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে অর্থাৎ একটি বিক্রিয়ক ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং অপর বিক্রিয়কটি সেই ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে তাকে রেডক্স বিক্রিয়া বলে । দহন বিক্রিয়া জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত । কারণ দহন বিক্রিয়ার প্রতিক্ষেত্রেই অক্সিজেন ইলেকট্রন গ্রহণ করে অপর যৌগ বা মৌল ইলেকট্রন ত্যাগ করে। যেমন: ম্যাগনেসিয়ামকে দহন …

দহন বিক্রিয়া জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত -ব্যাখ্যা করো । দহন বিক্রিয়া একটি রেডক্স বিক্রিয়া ব্যাখ্যা করো। Read More »

দহন বিক্রিয়া একটি তাপােৎপাদী বিক্রিয়া -ব্যাখ্যা করো ।

দহন বিক্রিয়া একটি তাপােৎপাদী বিক্রিয়া: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় তাদের তাপােৎপাদী বিক্রিয়া বলে। প্রতিটি দহন বিক্রিয়ায় সব সময় তাপ উৎপন্ন হয়। যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়ায় করে কার্বন ডাই-অক্সাইড, পানি ও তাপ উৎপন্ন করে।  CH4(g)  +  2O2(g) →  CO2(g)  +  2H2O(g) + তাপ  সুতরাং দহন বিক্রিয়া একটি তাপােৎপাদী বিক্রিয়া …

দহন বিক্রিয়া একটি তাপােৎপাদী বিক্রিয়া -ব্যাখ্যা করো । Read More »

দহন বিক্রিয়া কাকে বলে ?দহন বিক্রিয়া কী? দহন বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

দহন বিক্রিয়া : কোনাে মৌল বা যৌগকে বাতাসের অক্সিজেনের উপস্থিতিতে পুড়িয়ে তার উপাদান মৌলের অক্সাইডে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে দহন বিক্রিয়া বলে। যেমন: প্রাকৃতিক গ্যাস বা মিথেন বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়ায় করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে। এটি দহন বিক্রিয়ার উদাহরণ। CH4(g)  +  2O2(g) →  CO2(g)  +  2H2O(g) + তাপ    একইভাবে S, C, Mg …

দহন বিক্রিয়া কাকে বলে ?দহন বিক্রিয়া কী? দহন বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? Read More »

বিয়ােজন বিক্রিয়া কাকে বলে? বিয়ােজন বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? বিয়ােজন বিক্রিয়া কী? ব্যাখ্যা করো ।

বিয়ােজন বিক্রিয়া: যে বিক্রিয়ায় একটি যৌগ ভেঙে একাধিক যৌগ বা মৌলে পরিণত হয় তাকে বিয়ােজন বিক্রিয়া বলা হয়। যেমন: ফসফরাস পেন্টাক্লোরাইডকে তাপ দিলে তা বিয়ােজিত হয়ে ফসফরাস ট্রাইক্লোরাইড ও ক্লোরিন উৎপন্ন করে। এটি বিয়ােজন বিক্রিয়া। PCl5 → PCl3 + Cl2 আবার, পানিকে তড়িৎ বিশ্লেষণ করলে একটি অণু ভেঙে দুটি অণুতে পরিণত হয়। অ্যানােডে অক্সিজেন গ্যাস …

বিয়ােজন বিক্রিয়া কাকে বলে? বিয়ােজন বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? বিয়ােজন বিক্রিয়া কী? ব্যাখ্যা করো । Read More »

সকল সংশ্লেষণ বিক্রিয়াই সংযােজন বিক্রিয়া কিন্তু সকল সংযােজন বিক্রিয়া সংশ্লেষণ বিক্রিয়া নয়-ব্যাখ্যা কর।

সকল সংশ্লেষণ বিক্রিয়াই সংযােজন বিক্রিয়া কিন্তু সকল সংযােজন বিক্রিয়া সংশ্লেষণ বিক্রিয়া নয়: আমরা জানি, যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় দুই বা ততােধিক রাসায়নিক পদার্থ পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটিমাত্র উৎপাদ উৎপন্ন করে তাকে সংযােজন বিক্রিয়া বলে। আবার যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় দুই বা ততােধিক মৌলিক পদার্থ পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটিমাত্র উৎপাদ উৎপন্ন করে তাকে সংশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে। …

সকল সংশ্লেষণ বিক্রিয়াই সংযােজন বিক্রিয়া কিন্তু সকল সংযােজন বিক্রিয়া সংশ্লেষণ বিক্রিয়া নয়-ব্যাখ্যা কর। Read More »

N2 + O2 = 2NO একটি সংশ্লেষণ বিক্রিয়া-ব্যাখ্যা করো।

N2 + O2 = 2NO একটি সংশ্লেষণ বিক্রিয়া: যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় দুই বা ততােধিক মৌলিক পদার্থ পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটিমাত্র উৎপাদ উৎপন্ন করে তাকে সংশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে। প্রদত্ত বিক্রিয়ায় দুইটি মৌলিক পদার্থ নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটিমাত্র উৎপাদ  নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্ন করেছে । সুতরাং N2 + O2 = 2NO একটি সংশ্লেষণ …

N2 + O2 = 2NO একটি সংশ্লেষণ বিক্রিয়া-ব্যাখ্যা করো। Read More »

সংশ্লেষণ বিক্রিয়া কাকে বলে? সংশ্লেষণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ ? সংশ্লেষণ বিক্রিয়া কী?

সংশ্লেষণ বিক্রিয়া: যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় দুই বা ততােধিক মৌলিক পদার্থ পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটিমাত্র উৎপাদ উৎপন্ন করে তাকে সংশ্লেষণ বিক্রিয়া বলে।  যেমন: হাইড্রোজেন গ্যাস নাইট্রোজেন গ্যাসের সাথে যুক্ত হয়ে অ্যামােনিয়া গ্যাস উৎপন্ন করে। N2(g) + 3H2(g) → 2NH3(g)

সংযােজন বিক্রিয়া কাকে বলে? সংযােজন বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? সংযােজন বিক্রিয়া কী?

যে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় দুই বা ততােধিক রাসায়নিক পদার্থ পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়ে একটিমাত্র উৎপাদ উৎপন্ন করে তাকে সংযােজন বিক্রিয়া বলে। যেমন: ফেরাস ক্লোরাইডের সাথে ক্লোরিন যুক্ত হয়ে ফেরিক ক্লোরাইড উৎপন্ন করে। 2FeCl2(aq) + Cl2(g) → FeCl3(aq)

কোন বিক্রিয়াগুলোতে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া ঘটে ?

যে সকল বিক্রিয়াতে ইলেক্ট্রনের স্থানান্তর বা দান -গ্রহণ ঘটে অথবা জারণ সংখ্যার হ্রাস -বৃদ্ধি ঘটে তাদেরকে জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া বলে। ইলেক্ট্রনের স্থানান্তরের মাধ্যমে সংঘটিত বিক্রিয়াগুলো নিম্নরূপ : সংযােজন বিক্রিয়া(Addition Reaction) বিয়ােজন বিক্রিয়া (Decomposition Reaction) প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া (Substitution or Displacement Reaction) দহন বিক্রিয়া(Combustion Reaction)

জারণ-বিজারণ একটি যুগপৎ ক্রিয়া । জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া মানেই ইলেকট্রন স্থানান্তর প্রক্রিয়া। জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া ইলেক্ট্রনের স্থানান্তর ঘটে। জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া একই সাথে ঘটে।ব্যাখ্যা করো

জারণ-বিজারণ একটি যুগপৎ ক্রিয়া/ জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া মানেই ইলেকট্রন স্থানান্তর প্রক্রিয়া/ জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া ইলেক্ট্রনের স্থানান্তর ঘটে/ জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া একই সাথে ঘটে: আধুনিক বা ইলেক্ট্রনীয় মতবাদ অনুসারে আমরা জানি,  যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের দান ঘটে তাকে জারণ বিক্রিয়া এবং যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ ঘটে তাকে বিজারণ বিক্রিয়া বলা হয়। আবার, যে পদার্থ ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাদেরকে …

জারণ-বিজারণ একটি যুগপৎ ক্রিয়া । জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া মানেই ইলেকট্রন স্থানান্তর প্রক্রিয়া। জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া ইলেক্ট্রনের স্থানান্তর ঘটে। জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া একই সাথে ঘটে।ব্যাখ্যা করো Read More »

জারণ সংখ্যা এবং যােজনীর মধ্যে পার্থক্য লেখ ।

জারণ সংখ্যা এবং যােজনীর মধ্যে পার্থক্য: জারণ সংখ্যা  যােজনী অণু বা যৌগমূলকের মধ্যে অবস্থিত কোনাে পরমাণুর ধনাত্মক বা ঋণাত্মক চিহ্নযুক্ত সংখ্যাকেই তার জারণ সংখ্যা (Oxidation Number) বলে। অণু গঠনকালে কোনো মৌলের একটি পরমাণুর সাথে অপর একটি মৌলর পরমাণু যুক্ত হওয়ার সামর্থ্যকে যোজনী বা যোজ্যতা বলে । জারণ সংখ্যা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক, পূর্ণসংখ্যা, শূন্য এমন কি …

জারণ সংখ্যা এবং যােজনীর মধ্যে পার্থক্য লেখ । Read More »

জারণ সংখ্যা এবং যােজনী একই বিষয় নয়-ব্যাখ্যা করো ।

 জারণ সংখ্যা এবং যােজনী একই বিষয় নয়: জারণ সংখ্যা হলাে পরমাণু বা আয়নে উপস্থিত চিহ্নসহ চার্জ সংখ্যা। এটি ধনাত্মক বা ঋণাত্মক, পূর্ণসংখ্যা, শূন্য এমন কি ভগ্নাংশও হতে পারে। শুধু তাই নয়, একই মৌলের জারণ সংখ্যা বিভিন্ন যৌগে বিভিন্ন হতে দেখা যায়। অন্যদিকে যােজনী হলাে একটি মৌল অন্য মৌলের সাথে যুক্ত হওয়ার সামর্থ্য। যােজনী ধনাত্মক বা …

জারণ সংখ্যা এবং যােজনী একই বিষয় নয়-ব্যাখ্যা করো । Read More »

PH4+ এ P এর জারণ সংখ্যা বা জারণ মান নির্ণয় কর।

PH4+ এ P এর জারণ সংখ্যা বা জারণ মান নির্ণয়: ধরি, PH4+  এ P এর জারণ সংখ্যা= x                      H এর জারণ সংখ্যা = +1   আমরা জানি, আধানবিশিষ্ট আয়নে বা যৌগমূলকে পরমাণুসমূহের মােট জারণ সংখ্যা আধান সংখ্যার সমান হয়। যেহেতু PH4+ আধানবিশিষ্ট আয়ন, তাই এই …

PH4+ এ P এর জারণ সংখ্যা বা জারণ মান নির্ণয় কর। Read More »

K2Cr2O7 এ Cr এর জারণ সংখ্যা বা জারণ মান নির্ণয় কর ।

K2Cr2O7 এ Cr এর জারণ সংখ্যা বা জারণ মান নির্ণয়: ধরি, K2Cr2O7   এ Cr এর জারণ সংখ্যা = x                            Kএর জারণ সংখ্যা = +1                          O এর জারণ সংখ্যা =-2 আমরা জানি, নিরপেক্ষ যৌগে পরমাণুসমূহের মােট জারণ সংখ্যা শূন্য হয়। যেহেতু K2Cr2O7  একটি নিরপেক্ষ, তাই এই যৌগে পরমাণুসমূহের মােট জারণ সংখ্যা শূন্য।  অতএব,  (+1)x2 + X …

K2Cr2O7 এ Cr এর জারণ সংখ্যা বা জারণ মান নির্ণয় কর । Read More »

H2SO4 এ S এর জারণ সংখ্যা বা জারণ মান নির্ণয় কর ।

   H2SO4 এ S এর জারণ সংখ্যা বা জারণ মান নির্ণয়:  ধরি, H2SO4 এ s এর জারণ সংখ্যা = x                                       H এর জারণ সংখ্যা = +1                                       O এর জারণ সংখ্যা =-2 আমরা জানি, নিরপেক্ষ যৌগে পরমাণুসমূহের মােট জারণ সংখ্যা শূন্য হয়। যেহেতু H2SO4  একটি নিরপেক্ষ, তাই এই যৌগে পরমাণুসমূহের মােট জারণ সংখ্যা শূন্য।                       অতএব, (+1)x …

H2SO4 এ S এর জারণ সংখ্যা বা জারণ মান নির্ণয় কর । Read More »

কোনাে অণু বা আয়নে কোনো পরমাণুর জারণ সংখ্যা কীভাবে নির্ণয় করা যায় ?

জারণ সংখ্যা কীভাবে নির্ণয়: কোনাে অণু বা আয়নে সংশ্লিষ্ট পরমাণুর জারণ সংখ্যা নিচের পদ্ধতিতে নির্ণয় করা যায় : যৌগ বা আয়নে অবস্থিত যে পরমাণুটির জারণ সংখ্যা বের করতে হবে ধরে নেই তার জারণ সংখ্যা x। যৌগ বা আয়নের সকল মৌলের জারণ সংখ্যাকে তাদের নিজ নিজ পরমাণু সংখ্যা দ্বারা গুণ করে তাদের সমষ্টি করি । জারণ …

কোনাে অণু বা আয়নে কোনো পরমাণুর জারণ সংখ্যা কীভাবে নির্ণয় করা যায় ? Read More »

জারণ সংখ্যা (Oxidation Number) কাকে বলে? জারণ সংখ্যা কী? জারণ সংখ্যা ব্যাখ্যা করো

জারণ সংখ্যা (Oxidation Number): অণু বা যৌগমূলকের মধ্যে অবস্থিত কোনাে পরমাণুর ধনাত্মক বা ঋণাত্মক চিহ্নযুক্ত সংখ্যাকেই তার জারণ সংখ্যা (Oxidation Number) বলে। অণু বা যৌগমূলকের মধ্যে অবস্থিত কোনাে পরমাণুর ইলেকট্রন ছাড়ার প্রবণতাকে ধনাত্মক চিহ্নযুক্ত একটি সংখ্যা দিয়ে আর কোনাে পরমাণুর ইলেকট্রন গ্রহণ করার প্রবণতাকে ঋণাত্মক চিহ্নযুক্ত সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।  একক পরমাণু যেমন: Na, …

জারণ সংখ্যা (Oxidation Number) কাকে বলে? জারণ সংখ্যা কী? জারণ সংখ্যা ব্যাখ্যা করো Read More »

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা বিকল্প চিন্তা

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প চিন্তা : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া( যদি সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হয়): চলতি বছরের অর্থাৎ ২০২১ সালের  এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেয়ার প্রস্তুতি চলছে। পরীক্ষা নেয়া সম্ভব না হলে বিকল্প চিন্তা করা হচ্ছে – জানালেন  শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ রবিবার (১৩-০৬-২০২১ তারিখ ) জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, …

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প চিন্তা : শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি Read More »

বিজারণ বিক্রিয়া কাকে বলে? বিজারণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? বিজারণ বিক্রিয়া কী?ব্যাখ্যা কর।

বিজারণ বিক্রিয়া: যে বিক্রিয়ায় কোনাে পরমাণু, মূলক বা আয়ন এর ইলেকট্রনের গ্রহণ ঘটে অর্থাৎ ঐ পরমাণু, মূলক বা আয়ন এর  ধনাত্মক চার্জের সংখ্যা হ্রাস পায় বা ঋণাত্মক চার্জের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় সেই বিক্রিয়াকে বিজারণ বিক্রিয়া বলে। Cl0 + e– → Cl1- [বিজারণ বিক্রিয়া] Cu2+ + e– → Cu1+ [বিজারণ বিক্রিয়া] উপরের বিক্রিয়াসমূহ থেকে দেখা যায় …

বিজারণ বিক্রিয়া কাকে বলে? বিজারণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? বিজারণ বিক্রিয়া কী?ব্যাখ্যা কর। Read More »

জারণ বিক্রিয়া কাকে বলে? জারণ বিক্রিয়া কী? জারণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা কর।

জারণ বিক্রিয়া: যে বিক্রিয়ায় কোনাে পরমাণু, মূলক বা আয়ন এর ইলেকট্রনের দান ঘটে অর্থাৎ ঐ পরমাণু, মূলক বা আয়ন এর ধনাত্মক চার্জের সংখ্যা বৃদ্ধি পায় বা ঋণাত্মক চার্জের সংখ্যা হ্রাস পায় সেই বিক্রিয়াকে জারণ বিক্রিয়া বলে। Fe+2 → Fe3+ + e– [জারণ বিক্রিয়া] Na° → Na1+ + e– [জারণ বিক্রিয়া] 2Cl– →Cl2 +2e– [জারণ বিক্রিয়া] …

জারণ বিক্রিয়া কাকে বলে? জারণ বিক্রিয়া কী? জারণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা কর। Read More »

2FeCl2(aq) + Cl2(g) → FeCl3(aq)বিক্রিয়াটি একটি জারণ -বিজারণ বা রেডক্স বিক্রিয়া ব্যাখ্যা করো ।

আমরা জানি, যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কসমূহের মধ্যে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে অর্থাৎ একটি বিক্রিয়ক ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং অপর বিক্রিয়কটি সেই ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে তাকে রেডক্স বিক্রিয়া বলে ।  প্রদত্ত বিক্রিয়াটি  2FeCl2(aq) + Cl2(g) → 2FeCl3(aq) উপরিউক্ত বিক্রিয়ায় ফেরাস ক্লোরাইডের সাথে ক্লোরিন যুক্ত হয়ে ফেরিক ক্লোরাইড উৎপন্ন করে। বিক্রিয়াটির আয়নিক রূপ:  2Fe2+Cl21- (aq) + Cl20(g) → Fe3+Cl3-1 …

2FeCl2(aq) + Cl2(g) → FeCl3(aq)বিক্রিয়াটি একটি জারণ -বিজারণ বা রেডক্স বিক্রিয়া ব্যাখ্যা করো । Read More »

Na + Cl2 → NaCl বিক্রিয়াটিতে কোনটি জারক এবং কোনটি বিজারক এবং কেন ?

জারক এবং  বিজারক নির্ণয়: আমরা জানি, জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় যে বিক্রিয়কটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে বিজারক পদার্থ বলে । Na + ½Cl2 → NaCl উপরিউক্ত  বিক্রিয়ায় Na ইলেকট্রন ত্যাগ করছে, Na0 -e– =Na+ সুতরাং Na বিজারক পদার্থ। অপরদিকে, জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ায় যে বিক্রিয়কটি ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক পদার্থ বলে। Na + ½Cl2 → NaCl উপরিউক্ত  বিক্রিয়ায়  Cl …

Na + Cl2 → NaCl বিক্রিয়াটিতে কোনটি জারক এবং কোনটি বিজারক এবং কেন ? Read More »

বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া কাকে বলে? বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া কী? বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া: জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার যে অর্ধাংশে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারণ অর্ধবিক্রিয়া বলে।

জারণ অর্ধবিক্রিয়া কাকে বলে? জারণ অর্ধবিক্রিয়া কী? জারণ অর্ধবিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

জারণ অর্ধবিক্রিয়া: জারণ-বিজারণ বিক্রিয়ার যে অর্ধাংশে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাকে জারণ অর্ধবিক্রিয়া বলে।

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়াটি কয় অর্ধাংশে বিভক্ত?

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়াটি দুটি অংশ: জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া দুটি অর্ধাংশে বিভক্ত। যথা :জারণ অর্ধবিক্রিয়া ও বিজারণ অর্ধবিক্রিয়া। এখানে ক্লিক জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া সংজ্ঞা জেনে নিন।

Redox শব্দটি কীভাবে গঠিত হয় ? Redox শব্দটি ব্যাখ্যা করো।

Reduction (বিজারণ) শব্দের এর প্রথমাংশ Red এবং Oxidation জারণ শব্দের প্রথমাংশ ox এর সমন্বয়ে গঠিত শব্দ হলাে Redox অর্থাৎ এর নাম থেকেই বােঝা যায় যে রেডক্স (Redox) অর্থ জারণ-বিজারণ।

রেডক্স বিক্রিয়া কাকে বলে? রেডক্স বিক্রিয়া কী? রেডক্স বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

রেডক্স বিক্রিয়া: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায বিক্রিয়কসমূহের মধ্যে ইলেকট্রনের আদান-প্রদান ঘটে অর্থাৎ একটি বিক্রিয়ক ইলেকট্রন ত্যাগ করে এবং অপর বিক্রিয়কটি সেই ইলেকট্রনকে গ্রহণ করে তাকে রেডক্স বিক্রিয়া বলে ।  

ইলেকট্রন স্থানান্তরের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে কয় ভাগ করা যায়?

ইলেকট্রন স্থানান্তরের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার শ্রেনীবিভাগ: ইলেকট্রন স্থানান্তরের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দুইভাগে ভাগ করা যায়। যথা: রেডক্স বিক্রিয়া এবং নন-রেডক্স বিক্রিয়া।

তাপহারী বিক্রিয়া বা তাপশশোষী বিক্রিয়া কাকে বলে? তাপহারী বিক্রিয়া কী? তাপশশোষী কী?

তাপহারী বিক্রিয়া বা তাপশশোষী বিক্রিয়া: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপশক্তির শােষণ ঘটে সেই রাসায়নিক বিক্রিয়াকে তাপহারী বিক্রিয়া বা তাপশশোষী বিক্রিয়া বলে। উল্লেখিত বিক্রিয়ায় 1 মােল নাইট্রোজেন গ্যাস  ও 1 মােল অক্সিজেন গ্যাস পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে 2 মােল নাইট্রিক অক্সাইড উৎপন্ন হওয়ার সময় 180 kJ তাপ শােষিত হয়।  N2(g) + O2(g) + 180kJ  ⇄  2NO(g) অথবা …

তাপহারী বিক্রিয়া বা তাপশশোষী বিক্রিয়া কাকে বলে? তাপহারী বিক্রিয়া কী? তাপশশোষী কী? Read More »

বিক্রিয়া তাপ কাকে বলে? বিক্রিয়া তাপ বলতে কী বোঝ ? বিক্রিয়া তাপ কী? সংজ্ঞা: বিক্রিয়া তাপ

বিক্রিয়া তাপ: সমতাকৃত সমীকরণ অনুযায়ী একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হতে তাপের যে পরিবর্তন হয় তাকে বিক্রিয়া তাপ বলে। বিক্রিয়ার তাপকে ΔH দ্বারা প্রকাশ করা হয়। বিক্রিয়ায় তাপ উৎপাদন হলে ΔH এর মান ঋণাত্মক হয় এবং বিক্রিয়ায় তাপ শোষিত হলে ΔH এর মান ধনাত্মক  হয়। যেমন – N2(g) + 3H2(g) ⇌ 2NH3(g); ΔH= -92kJ N2(g) + …

বিক্রিয়া তাপ কাকে বলে? বিক্রিয়া তাপ বলতে কী বোঝ ? বিক্রিয়া তাপ কী? সংজ্ঞা: বিক্রিয়া তাপ Read More »

নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন হতে অ্যামােনিয়া উৎপাদনের বিক্রিয়াটিকে তাপােৎপাদী বিক্রিয়া বলা হয় কেন তা ব্যাখ্যা করো ।

আমরা জানি,যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় তাদের তাপােৎপাদী বিক্রিয়া বলে। উল্লেখিত বিক্রিয়ায় Fe চূর্ণ প্রভাবকের উপস্থিতিতে 200-250 atm চাপ ও 4500C -5500C তাপমাত্রায় 1 মােল নাইট্রোজেন ও 3 মােল হাইড্রোজেন হতে 2 মােল অ্যামােনিয়া উৎপাদনের সময় 92 কিলােজুল তাপ উৎপন্ন হয়।  যেহেতু বিক্রিয়াটিতে বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদ উৎপন্ন করে এবং সাথে তাপ ও উৎপন্ন করে …

নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন হতে অ্যামােনিয়া উৎপাদনের বিক্রিয়াটিকে তাপােৎপাদী বিক্রিয়া বলা হয় কেন তা ব্যাখ্যা করো । Read More »

তাপােৎপাদী বিক্রিয়া কাকে বলে ? তাপােৎপাদী বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? তাপােৎপাদী বিক্রিয়া কী?

তাপােৎপাদী বিক্রিয়া: যে সকল  রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয় তাদের তাপােৎপাদী বিক্রিয়া বলে। যেমন: হেবার প্রণালিতে 1 মােল নাইট্রোজেন ও 3 মােল হাইড্রোজেন হতে 2 মােল অ্যামােনিয়া উৎপাদনের সময় 92 কিলােজুল তাপ উৎপন্ন হয়। বিক্রিয়াটি নিম্নরূপ:অথবা    দিকের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার শ্রেণীবিভাগ  

তাপের শােষণ এবং তাপ উৎপন্ন হওয়ার উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?

তাপের শােষণ এবং তাপ উৎপন্ন হওয়ার উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার শ্রেণীবিভাগ: তাপের শােষণ এবং তাপ উৎপন্ন হওয়ার উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দুইভাগে ভাগ করা যায় যথা: তাপােৎপাদী বিক্রিয়া এবং তাপহারী বিক্রিয়া।

কেলাসন বা স্ফটিকীকরণ কাকে বলে? কেলাসন বা স্ফটিকীকরণ কী ? কেলাসন বা স্ফটিকীকরণ বলতে কী বোঝ?

কেলাসন বা স্ফটিকীকরণ: সাধারণত কোনাে কঠিন পদার্থের উত্তপ্ত সম্পৃক্ত দ্রবণকে ধীরে ধীরে শীতল করে দ্রবীভূত পদার্থকে দ্রবণ হতে কেলাস আকারে পৃথক করার পদ্ধতিকে কেলাসন বা স্ফটিকীকরণ বলে ।

কেলাস পানি কাকে বলে? কেলাস পানি কী? কেলাস পানি বলতে কী বোঝ?

কেলাস পানি: আয়নিক যৌগের কেলাস গঠনের জন্য যে পানি অপরিহার্য অংশ হিসাবে যৌগের সাথে যুক্ত থাকে তাকে কেলাস পানি বলে । কেলাস পানি কেলাস গঠনের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু যৌগের সংকেতের জন্য অপরিহার্য নয়।

কেলাস কাকে বলে ? কেলাস কী ? কেলাস বলতে কী বোঝ?

সুষম ও সুনির্দিষ্ট জ্যামিতিক গঠন বিশিষ্ট সুক্ষ প্রান্তযুক্ত সমতল পৃষ্ঠ দ্বারা পরিবেষ্টিত সমসত্ব কঠিন পদার্থকে কেলাস বা স্ফটিক বলে।যেমন: তুঁতের  কেলাস(CuSO4.5H2O) , খাদ্য লবণের কেলাস (NaCl) ইত্যাদি।

সাদা বর্ণের বিশুদ্ধ কপার সালফেট বা অনার্দ্র কপার সালফেট বাতাসে রেখে দিলে নীল বর্ণ ধারণ করে কেন?

সাদা বর্ণের বিশুদ্ধ কপার সালফেট বা অনার্দ্র  কপার সালফেট বাতাসে রেখে দিলে তা বাতাস থেকে  জলীয়বাষ্প শােষণ করে পানিযুক্ত কপার সালফেটের কেলাস তৈরী করে, যার বর্ণ নীল । CuSO4 (নীল বর্ণ) + 5H2O= CuSO4.5H2O (সাদা বর্ণ)।

তুঁতেকে উত্তপ্ত করলে সাদা হয় কেন তা ব্যাখ্যা কর। তুঁতেকে তাপ দিলে কী ঘটে?

তুঁতের রাসায়নিক নাম ব্লু ভিট্রিয়ল (Blue Vitriol) বা পেন্টাহাইড্রেট কপার সালফেট। এর সংকেত CuSO4.5H2O৷ কপার সালফেট ও 5 অণু পানির সমন্বয়ে তুঁতে গঠিত।  এটি নীল বর্ণের কেলাস আকৃতির দানাদার পদার্থ। তুঁতেকে  উত্তপ্ত করলে ঐ 5 অণু পানি বাষ্প হয়ে উড়ে যায়। তখন তুঁতের মধ্যে কোনাে পানি থাকে না এবং তুঁতের বর্ণ সাদা হয়ে যায়। অর্থাৎ …

তুঁতেকে উত্তপ্ত করলে সাদা হয় কেন তা ব্যাখ্যা কর। তুঁতেকে তাপ দিলে কী ঘটে? Read More »

Na2CO3 কে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ হিসাবে ব্যবহার করা হয় কেন ? Na2CO3 কে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলা হয় কেন?

Na2CO3 প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: Na2CO3 কে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলা হয়। কারণ Na2CO3 কে প্রকৃতিতে শুষ্ক ও বিশুদ্ধ অবস্থায় নির্দিষ্ট সংযুতিতে পাওয়া যায়, রাসায়নিক নিক্তিতে সরাসরি ওজন করা যায় এবং Na2CO3 এর দ্রবণকে দীর্ঘদিন রেখে দিলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনাে পরিবর্তন হয় না। তাই Na2CO3 কে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলা হয়।

প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কাকে বলে? প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ কী ?প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলতে কী বোঝ

প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: যে সকল  পদার্থ প্রকৃতিতে শুষ্ক ও বিশুদ্ধ অবস্থায় নির্দিষ্ট সংযুতিতে পাওয়া যায়, রাসায়নিক নিক্তিতে সরাসরি ওজন করা যায় এবং ঐ পদার্থের দ্রবণকে দীর্ঘদিন রেখে দিলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনাে পরিবর্তন হয় না তাদেরকে প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ বলে। যেমন : সােডিয়াম কার্বনেট (Na2CO3), পটাসিয়াম ডাইক্রোমেট (K2Cr2O7) ইত্যাদি।

অ্যানালার বা অ্যানালার গ্রেড পদার্থ কাকে বলে? অ্যানালার বা অ্যানালার গ্রেড পদার্থ কী ? অ্যানালার বা অ্যানালার গ্রেড পদার্থ বলতে কী বোঝ ?

অ্যানালার গ্রেড পদার্থ: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় ব্যবহৃত বিক্রিয়কগুলাে মধ্যে যে বিক্রিয়ক সবচেয়ে বেশি বিশুদ্ধ তাকে অ্যানালার বা অ্যানালার গ্রেড পদার্থ বলে। যদি কোনাে পদার্থকে 99% বিশুদ্ধ করা যায় এবং এর চেয়ে আর বেশি বিশুদ্ধ করা সম্ভব হয় না তখন এই 99% বিশুদ্ধ পদার্থকেই অ্যানালার বলে। 

লিমিটিং বিক্রিয়ক কাকে বলে? লিমিটিং বিক্রিয়ক কী? লিমিটিং বিক্রিয়ক বলতেকী বোঝ ?

লিমিটিং বিক্রিয়ক: রাসায়নিক বিক্রিয়ায় যে বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে শেষ হয়ে যায় (অর্থাৎ যে বিক্রিয়ক অবশিষ্ট থাকে না) সেই বিক্রিয়ককে লিমিটিং বিক্রিয়ক বলে।যেমন  4টি ম্যাগনেসিয়াম ধাতব পরমাণুর মধ্যে 4টি অক্সিজেন অণু মিশ্রিত করা হলাে। 2Mg(S)                                + O2(g)          …

লিমিটিং বিক্রিয়ক কাকে বলে? লিমিটিং বিক্রিয়ক কী? লিমিটিং বিক্রিয়ক বলতেকী বোঝ ? Read More »

বিক্রিয়ার স্টয়কিওমিতি অনুযায়ী যে তথ্যসমূহ পাওয়া যায় তা বর্ণনা কর ।

বিক্রিয়ার স্টয়কিওমিতি অনুযায়ী যে তথ্যসমূহ: রসায়নের যে শাখায় বিক্রিয়কের পরিমাণ থেকে উৎপাদের পরিমাণ এবং উৎপাদের পরিমাণ থেকে বিক্রিয়কের পরিমাণের হিসাব করা হয় তাকে স্টয়কিওমিতি (Stoichiometry) বলে। রাসায়নিক সমীকরণ থেকে মােলের হিসাব সংক্রান্ত যে তথ্যসমূহ লেখা যায় তা ঐ বিক্রিয়ার স্টয়কিওমিতি। বিক্রিয়ার স্টয়কিওমিতি অনুযায়ী আমরা হিসাব করে বলতে পারি কতটি বিক্রিয়ক বিক্রিয়া করে কতটি উৎপাদ উৎপন্ন …

বিক্রিয়ার স্টয়কিওমিতি অনুযায়ী যে তথ্যসমূহ পাওয়া যায় তা বর্ণনা কর । Read More »

স্টয়কিওমিতি (Stoichiometry) কাকে বলে? স্টয়কিওমিতি (Stoichiometry)কী ?স্টয়কিওমিতি (Stoichiometry) বলতে কী বোঝ ?

স্টয়কিওমিতি (Stoichiometry): রসায়নের যে শাখায় বিক্রিয়কের পরিমাণ থেকে উৎপাদের পরিমাণ এবং উৎপাদের পরিমাণ থেকে বিক্রিয়কের পরিমাণের হিসাব করা হয় তাকে স্টয়কিওমিতি (Stoichiometry) বলে। 

Al2O3 + HCl → AlCl3 + H2O সমীকরণটি কীভাবে সমতা করবে?

অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড ও পানি উৎপন্ন হয়। Al2O3 + HCl → AlCl3 + H2O এই সমীকরণে সমতা নেই। Al কে সমান করার জন্য ডান পাশে AlCl3 কে 2 দিয়ে গুণ করাে। Al2O3 + HCl → 2AlCl3 + H2O এখনাে সমতা হয়নি। Cl এর সমতাকরণের জন্য বাম পাশে HCl কে …

Al2O3 + HCl → AlCl3 + H2O সমীকরণটি কীভাবে সমতা করবে? Read More »

Na2CO3 + HCl → NaCl +H2O +CO2 সমীকরণটি কীভাবে সমতা করবে?

Na2CO3 + HCl → NaCl +H2O +CO2 এই সমীকরণে সমতা নেই। কারণ বাম পাশে Na দুটি ডান পাশে Na একটি অতএব, ডান পাশে NaCl কে 2 দ্বারা গুণ করি Na2CO3 + HCl → 2NaCl +H2O +CO2 এখনাে সমতা হয়নি। ডান পাশে Cl দুটি বাম পাশে Cl একটি। বাম পাশের HCl কে 2 দ্বারা গুণ করি …

Na2CO3 + HCl → NaCl +H2O +CO2 সমীকরণটি কীভাবে সমতা করবে? Read More »

রাসায়নিক বিক্রিয়া সমতাকরণের পদ্ধতি বর্ণনা কর। কীভাবে রাসায়নিক বিক্রিয়া সমতা করা হয়?

রাসায়নিক বিক্রিয়া সমতাকরণ পদ্ধতি: বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর সংখ্যা সমান করার জন্য বিক্রিয়ক এবং উৎপাদের সংকেতের সামনে প্রয়ােজনীয় সংখ্যা (1, 2, 3, 4 …) দিয়ে গুণ করতে হয় এবং পরমাণুর সংখ্যা সমান করার জন্য চেষ্টা করে যেতে হয়। সমীকরণের সমতা করার জন্য কোনাে সুনির্দিষ্ট নিয়ম নেই কিন্তু কিছু কৌশল অবলম্বন করা হয়। সেগুলাে এ রকম: প্রথমে …

রাসায়নিক বিক্রিয়া সমতাকরণের পদ্ধতি বর্ণনা কর। কীভাবে রাসায়নিক বিক্রিয়া সমতা করা হয়? Read More »

কোনো রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ হয়েছে তা আমরা কীভাবে বুঝে থাকি?

রাসায়নিক সমীকরণের তীর চিহ্ন বা সমান চিহ্নের বাম পাশে কোনাে মৌলের যে কয়টি পরমাণু থাকে তীর চিহ্ন বা সমান চিহ্নের ডান পাশে মৌলের সেই কয়টি পরমাণু থাকলে আমরা ঐ রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ হয়েছে বলে বুঝে থাকি।

রাসায়নিক সমীকরণের সমতা কাকে বলে ? রাসায়নিক সমীকরণের সমতা কী ? রাসায়নিক সমীকরণের সমতা বলতে কী বোঝ ?

রাসায়নিক সমীকরণের সমতা: যে প্রক্রিয়ায় সমীকরণের বাম পাশের বিভিন্ন মৌলের পরমাণুর সংখ্যা এবং ডান পাশের ঐ একই মৌলের পরস্পর সংখ্যা সমান করা হয়। সেই প্রক্রিয়াকে রাসায়নিক সমীকরণের সমতা বলা হয়।

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস । HSC SHORT SYLLABUS 2022 PDF DOWNLOAD

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস: এইচএসসি ২০২২ সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশের প্রেক্ষাপট: করোনা মহামারির প্রভাবে অর্থাৎ কোভিড-১৯ প্রেক্ষিতে গত ১৭-৩-২০২১ তারিখ থেকে দেশের  শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ আছে । ফলে শিক্ষার্থীরা প্রায় এক বছরের বেশি সময়  ক্লাস করতে পারেনি। নির্ধারিত সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান  খোলা হলেও সম্পূর্ণ সিলেবাস শেষ করা সম্ভব নয়, তাই জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক …

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস । HSC SHORT SYLLABUS 2022 PDF DOWNLOAD Read More »

Accredited Online Business Degree From Accredited Online Business Schools

Accredited Online Business Degree: An accredited online business degree is most important in international business and jobs. Do you Pursue smart salary jobs in marketing, finance, HR management, sales, management, executive management, business analytics or management, entrepreneurship, international business, executives job,  financial management positions? Do you want to establish your own business or company? Business …

Accredited Online Business Degree From Accredited Online Business Schools Read More »

রাসায়নিক বিক্রিয়াকে রাসায়নিক সমীকরণ আকারে লেখার নিয়মসমূহ বর্ণনা কর ।

রাসায়নিক বিক্রিয়াকে রাসায়নিক সমীকরণ আকারে লেখার জন্য কতগুলাে নিয়ম মানা হয় সেগুলাে হচ্ছে : গণিতে যেমন সমীকরণের মাঝে একটি সমান চিহ্ন (=) ব্যবহার করা হয় তেমনি কোনাে বিক্রিয়ার বিক্রিয়ক বাম পাশে এবং উৎপাদ ডান পাশে লিখে তাদের মাঝে একটি সমান চিহ্ন (=) বা তীর চিহ্ন (→) বসাতে হয়। বিক্রিয়কসমূহ এবং উৎপাদসমূহকে রাসায়নিক প্রতীক বা সংকেতের …

রাসায়নিক বিক্রিয়াকে রাসায়নিক সমীকরণ আকারে লেখার নিয়মসমূহ বর্ণনা কর । Read More »

উৎপাদ বা উৎপন্ন পদার্থ কাকে বলে? উৎপাদ বা উৎপন্ন পদার্থ কী? উৎপাদ বা উৎপন্ন পদার্থ বলতে কী বোঝ ?

উৎপাদ বা উৎপন্ন পদার্থ: রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে নতুন ধর্ম বিশিষ্ট যে সকল পদার্থ উৎপন্ন হয় তাদেরকে উৎপাদ বলে ।যেমন – হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন বিক্রিয়া করে সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট পদার্থ পানি উৎপন্ন করে  ।  2H2 + O2 = 2H2O এই বিক্রিয়ায় পানি হচ্ছে উৎপাদ।

বিক্রিয়ক কাকে বলে? বিক্রিয়ক কী? বিক্রিয়ক বলতে কী বোঝ?

বিক্রিয়ক: যে সকল পদার্থ নিয়ে রাসায়নিক বিক্রিয়া শুরু করা হয় তাদেরকে বিক্রিয়ক বলে ।  যেমন – হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন বিক্রিয়া করে সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট পদার্থ পানি উৎপন্ন করে  ।  2H2 + O2 = 2H2O এই বিক্রিয়ায় হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন হচ্ছে বিক্রিয়ক।

অপরিশােধিত তেল (Crude oil) বা পেট্রোলিয়ামের বৈশিষ্টসমূহ কেমন ?

অপরিশােধিত তেল (Crude oil) বা পেট্রোলিয়াম বৈশিষ্টসমূহ: অপরিশােধিত তেল অস্বচ্ছ, কখনাে কখনাে সালফারের কিছু কিছু যৌগ থাকার কারণে দুর্গন্ধযুক্ত হয়। এই পেট্রোলিয়াম মূলত বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের মিশ্রণ এবং সরাসরি ব্যবহার উপযােগী নয়। এই অপরিশােধিত তেল আংশিক পাতন পদ্ধতিতে ফুটনাঙ্কের উপর ভিত্তি করে পৃথক করা হয়। আংশিক পাতন হলাে এক ধরনের পাতন। এখানে বাষ্পকে  ঠাণ্ডা করার জন্য …

অপরিশােধিত তেল (Crude oil) বা পেট্রোলিয়ামের বৈশিষ্টসমূহ কেমন ? Read More »

অপরিশােধিত তেল (Crude oil) বা পেট্রোলিয়াম কাকে বলে? অপরিশােধিত তেল কী?

অপরিশােধিত তেল (Crude oil) বা পেট্রোলিয়াম: যে পেট্রোলিয়াম খনি থেকে সরাসরি পাওয়া যায় তাকে অপরিশােধিত তেল (Crude oil) বা পেট্রোলিয়াম বলে।

প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলো কী কী ?

প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানসমূহ: প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলাে মিথেন (৪০%)। এছাড়া প্রাকৃতিক গ্যাসে ইথেন (7%), প্রােপেন (6%), বিউটেন ও আইসােবিউটেন (4%) এবং পেন্টেন (3%) থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যে প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া গেছে তাতে 99.99% মিথেন থাকে।

কোথাও কোথাও পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এক সাথেই থাকে কেন?

পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এক সাথেই থাকে: শত শত মিলিয়ন বছর ধরে  মাটির গভীরে বায়ুর অনুপস্থিতিতে তাপ, চাপ ও রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে ফাইটোপ্লাংকটন, জুওপ্লাংকটন ও মৃত প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে পেট্রোলিয়ামের সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিবর্তন অব্যাহত থাকায় পেট্রোলিয়াম আরও পরিবর্তিত হয়ে প্রাকৃতিক গ্যাস সৃষ্টি হয়। তাই কোথাও কোথাও পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এক সাথেই থাকে। যেমন: …

কোথাও কোথাও পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস এক সাথেই থাকে কেন? Read More »

কীভাবে জীবাশ্ম জ্বালানির সৃষ্টি হয়? জীবাশ্ম জ্বালানির সৃষ্টির প্রক্রিয়া।

জীবাশ্ম জ্বালানির সৃষ্টি প্রক্রিয়া: শত শত মিলিয়ন বছর আগে এ পৃথিবীর ইতিহাসে বিভিন্ন সময় ছিল যখন এ পৃথিবীজুড়ে ছিল ঘন বনজঙ্গল, নিচু জলাভূমি আর সমুদ্র যেখানে ছিল জলজ উদ্ভিদ, ফাইটোপ্লাংকট (পানিতে বসবাসকারী এক ধরনের শৈবাল), জুওপ্লাংকটন (পানিতে বসবাসকারী এক ধরনের ছােট প্রাণী)। বিভিন্ন সময় বড় বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এই ধরনের উদ্ভিদ, প্রাণী মাটিচাপা পড়ে যায়। …

কীভাবে জীবাশ্ম জ্বালানির সৃষ্টি হয়? জীবাশ্ম জ্বালানির সৃষ্টির প্রক্রিয়া। Read More »

কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয় কেন?

কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম জীবাশ্ম জ্বালানি: বহু প্রাচীনকালের উদ্ভিদ এবং প্রাণীর মৃতদেহের যে ধ্বংসাবশেষ মাটির নিচে পাওয়া যায় তাকে জীবাশ্ম বলে। শত শত মিলিয়ন বছর আগের প্রাণী এবং উদ্ভিদদেহের ধ্বংসাবশেষ জীবাশ্ম রূপে পাওয়া গেছে। কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়াম যেগুলাে আমরা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করি সেগুলাে জীবাশ্ম রূপে মাটির নিচ থেকে পাওয়া যায়। তাই …

কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলিয়ামকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলা হয় কেন? Read More »

রাসায়নিক সমীকরণ কাকে বলে? রাসায়নিক সমীকরণ কী? রাসায়নিক সমীকরণ বলতে বোঝ ?

রাসায়নিক সমীকরণ: রাসায়নিক বিক্রিয়াকে প্রতীক, সংকেত এবং নানা রকম চিহ্ন এর  সাহায্যে সংক্ষেপে উপস্থাপন করার জন্য যে সমীকরণ ব্যবহার করা হয় সেই সমীকরণকে রাসায়নিক সমীকরণ বলা হয়।

রাসায়নিক বিক্রিয়া কাকে বলে? রাসায়নিক বিক্রিয়া কী? রাসায়নিক বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

রাসায়নিক বিক্রিয়া: যে প্রক্রিয়ায় রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে সেই প্রক্রিয়াকে রাসায়নিক বিক্রিয়া বলে। 

রাসায়নিক পরিবর্তন কাকে বলে? রাসায়নিক পরিবর্তন কী ? রাসায়নিক পরিবর্তন বলতে কী বোঝ?

রাসায়নিক পরিবর্তন: যে পরিবর্তনের ফলে কোনাে পদার্থ তার নিজের ধর্ম ও বৈশিষ্ট্য হারিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধর্মবিশিষ্ট নতুন পদার্থে পরিণত হয় তাকে  রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। 

আণবিক সংকেত থেকে স্থূল সংকেত নির্ণয়ের বর্ণনা কর ।

আণবিক সংকেত থেকে স্থূল সংকেত নির্ণয়: কোনাে যৌগের আণবিক সংকেত থেকে স্থূল সংকেত নির্ণয় করা যায়। আমরা জানি, গ্লুকোজ এর আণবিক সংকেত = C6H12O6  ।  মনেকরি , এর স্থূল সংকেত বের করতে হবে।  গ্লুকোজ (C6H12O6) এর একটি অণুতে 6টি C পরমাণু, 12টি H পরমাণু এবং 6টি O পরমাণু আছে।                                 অতএব, পরমাণুসমূহের অনুপাত C:H:O = 6:12:6 …

আণবিক সংকেত থেকে স্থূল সংকেত নির্ণয়ের বর্ণনা কর । Read More »

কীভাবে শতকরা সংযুতি থেকে যৌগের আণবিক সংকেত নির্ণয় করা হয় তা বর্ণনা করো?

শতকরা সংযুতি থেকে যৌগের আণবিক সংকেত নির্ণয়: কোনাে যৌগের আণবিক সংকেত বের করার জন্য যৌগের শতকরা সংযুতি থেকে প্রথমে স্থূল সংকেত বের করতে হয় । কোনাে যৌগের স্থূল সংকেতের ভর যদি ঐ যৌগের আণবিক ভরের সমান হয় তাহলে যৌগের স্থূল সংকেতই যৌগের আণবিক সংকেত হবে। কিন্তু যদি কোনাে যৌগের স্থূল সংকেতের ভর ঐ যৌগের আণবিক …

কীভাবে শতকরা সংযুতি থেকে যৌগের আণবিক সংকেত নির্ণয় করা হয় তা বর্ণনা করো? Read More »

একটি পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা গেল 3 গ্রাম কার্বন পরমাণু এবং ৪ গ্রাম অক্সিজেন পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে যৌগ গঠন করেছে। সেই যৌগের স্থূল সংকেত বের করাে। আণবিক সংকেত ও বের করাে।

আমরা জানি, কার্বন ও অক্সিজেনের পারমাণবিক ভর যথাক্রমে 12 ও 16।  কার্বন ডাই অক্সাইডে,  কার্বনের মােল সংখ্যা = 3 ÷ 12 = 0.25 অক্সিজেনের মােল সংখ্যা =৪ ÷ 16 =0.5 প্রাপ্ত ভাগফলগুলাের মধ্য ক্ষুদ্রতম সংখ্যা দিয়ে ভাগফলগুলােকে ভাগ করে পাই,  কার্বনের মােল সংখ্যা = 0.25  ÷0.25 = 1  অক্সিজেনের মােল সংখ্যা = 0.5  ÷0.25 = …

একটি পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা গেল 3 গ্রাম কার্বন পরমাণু এবং ৪ গ্রাম অক্সিজেন পরমাণুর সাথে যুক্ত হয়ে যৌগ গঠন করেছে। সেই যৌগের স্থূল সংকেত বের করাে। আণবিক সংকেত ও বের করাে। Read More »

যৌগের শতকরা সংযুতি থেকে কীভাবে স্থূল সংকেত নির্ণয় করা যায় তা বর্ণনা কর ।

যৌগের শতকরা সংযুতি থেকে স্থূল সংকেত নির্ণয়: শতকরা সংযুতি থেকে স্থূল সংকেত বের করার কতকগুলাে ধাপ রয়েছে যা নিম্নে দেওয়া হলাে – √ ধাপ 1: মৌলসমূহের শতকরা সংযুতিকে এর পারমাণবিক ভর দ্বারা ভাগ করতে হবে । √ ধাপ 2: ভাগফলগুলাের মধ্য থেকে যে সংখ্যাটি ক্ষুদ্রতম সেই সংখ্যা দিয়ে ভাগফলগুলােকে ভাগ করতে হবে এবং ভাগফলগুলােকে নিকটতম …

যৌগের শতকরা সংযুতি থেকে কীভাবে স্থূল সংকেত নির্ণয় করা যায় তা বর্ণনা কর । Read More »

দুটি ভিন্ন যৌগের আণবিক সংকেত ভিন্ন হলেও স্থূল সংকেত একই -ব্যাখ্যা কর। দুটি ভিন্ন যৌগের কি একই স্থূল সংকেত থাকতে পারে-উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর। বেনজিন ও অ্যাসিটিলিনের স্থূল সংকেত একই হলেও আণবিক সংকেত ভিন্ন-ব্যাখ্যা কর।

দুটি ভিন্ন যৌগের আণবিক সংকেত ভিন্ন হলেও স্থূল সংকেত একই হতে পারে। যেমন: বেনজিন ও অ্যাসিটিলিনের স্থূল সংকেত CH । এক্ষেত্রে বেনজিনের আণবিক সংকেত C6H6 অর্থাৎ এর অণুতে 6 টি কার্বন এবং 6 টি হাইড্রোজেন পরমাণু রয়েছে। অপরদিকে অ্যাসিটিলিনের আণবিক সংকেত C2H2 অর্থাৎ এর অণুতে 2 টি কার্বন এবং 2 টি হাইড্রোজেন পরমাণু রয়েছে। যেহেতু …

দুটি ভিন্ন যৌগের আণবিক সংকেত ভিন্ন হলেও স্থূল সংকেত একই -ব্যাখ্যা কর। দুটি ভিন্ন যৌগের কি একই স্থূল সংকেত থাকতে পারে-উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর। বেনজিন ও অ্যাসিটিলিনের স্থূল সংকেত একই হলেও আণবিক সংকেত ভিন্ন-ব্যাখ্যা কর। Read More »

স্থূল সংকেত বা সরল সংকেত কী ? স্থূল সংকেত বা সরল সংকেত কাকে বলে ? স্থূল সংকেত বা সরল সংকেত বলতে কী বোঝো ?

স্থূল সংকেত বা সরল সংকেত: যে সংকেত দিয়ে অণুতে বিদ্যমান পরমাণুগুলাের অনুপাত প্রকাশ করে তাকে স্থূল সংকেত বলে। যেমন : হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের আণবিক সংকেত H2O2 এবং স্থূল সংকেত HO । কারণ হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের অণুতে (H2O2) দুটি হাইড্রোজেন এবং দুটি অক্সিজেন পরমাণু রয়েছে। অর্থাৎ H2O2 এ হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের পরমাণুর সংখ্যা যথাক্রমে 2 এবং …

স্থূল সংকেত বা সরল সংকেত কী ? স্থূল সংকেত বা সরল সংকেত কাকে বলে ? স্থূল সংকেত বা সরল সংকেত বলতে কী বোঝো ? Read More »

যৌগে কোনো মৌলের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অংশের শতকরা সংযুতি নির্ণয় করা যায় ।

যৌগে কোনো মৌলের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অংশের শতকরা সংযুতি  নির্ণয়: এক্ষেত্রেও শতকরা সংযুতি নির্ণয়ের দুইটি ধাপ আছে। যথা: (ক) প্রথমে অণুতে বিদ্যমান মৌলসমূহের পারমাণবিক ভর ও পরমাণুর সংখ্যা হতে ঐ অণুর আণবিক ভর বের করতে হয়।  (খ) তারপর পৃথকভাবে নির্দিষ্ট অংশের মােট পরিমাণকে আণবিক ভর দ্বারা ভাগ করে 100 দ্বারা গুণ করে শতকরা হিসেবে মৌলসমূহের …

যৌগে কোনো মৌলের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট অংশের শতকরা সংযুতি নির্ণয় করা যায় । Read More »

শতকরা সংযুক্তি বের করার নিয়ম বর্ণনা কর । শতকরা সংযুতি কিভাবে নির্ণয় করা হয় ?

যৌগে মৌলের শতকরা সংযুতি নির্ণয়ের নিয়ম : আণবিক সংকেত হতে শতকরা সংযুতি নির্ণয়ের দুইটি ধাপ আছে। যথা: (ক) প্রথমে অণুতে বিদ্যমান মৌলসমূহের পারমাণবিক ভর ও পরমাণুর সংখ্যা হতে ঐ অণুর আণবিক ভর বের করতে হয়।  (খ) তারপর পৃথকভাবে প্রত্যেকটি মৌলের মােট পরিমাণকে আণবিক ভর দ্বারা ভাগ করে 100 দ্বারা গুণ করে শতকরা হিসেবে মৌলসমূহের শতকরা …

শতকরা সংযুক্তি বের করার নিয়ম বর্ণনা কর । শতকরা সংযুতি কিভাবে নির্ণয় করা হয় ? Read More »

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার সিলেবাস

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস । এসএসসি পরীক্ষার শর্ট সিলেবাস 2022

এসএসসি সংক্ষিপ্ত পরীক্ষার সিলেবাস ২০২২ : ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থী অর্থাৎ বর্তমানে যারা দশম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত তাদের জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড( NCTB ) এসএসসি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ২০২২ প্রকাশ করেছে । এসএসসি পরীক্ষার শর্ট সিলেবাস 2022 এর প্রতিটি বিষয় আলাদা আলাদা করে বিষয় কোডসহ ডাউনলোড লিংক এন্ড view link দেওয়া হলো:  ২০২২ সালের এসএসসি …

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস । এসএসসি পরীক্ষার শর্ট সিলেবাস 2022 Read More »

এসএসসি-এইচএসসি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ২০২২ (PDF DOWNLOAD AND VIEW)

২০২২ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস: ২০২২ সালে যারা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী তাদের জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) পুনর্বিন্যাসকৃত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে। এই পুনর্বিন্যাসকৃত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস অনুযায়ী এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ১৫০ পাঠদান কার্যদিবস এবং এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ১৮০ পাঠদান কার্যদিবস রাখা হয়েছে। ২৮-৫-২০২১ রোজ শুক্রবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ও এই শর্ট …

এসএসসি-এইচএসসি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ২০২২ (PDF DOWNLOAD AND VIEW) Read More »

পরীক্ষাগারে 250mL 0.1M Na2CO3 দ্রবণ প্রস্তুতি বর্ণনা কর ।

250mL 0.1M Na2CO3 দ্রবণ প্রস্তুতি: একটি 250 মিলি আয়তনিক ফ্লাস্কে 0.1 মােলার সােডিয়াম কার্বনেটের দ্রবণ তৈরি করার জন্য প্রয়ােজনীয় পরিমাণ Na2CO3 এর হিসাব: এখানে, V= 250 মিলিলিটার, S= 0.1 মোলার,  M= 23×2+12+16×3=106,  w=? আমরা জানি,       W =                              =g …

পরীক্ষাগারে 250mL 0.1M Na2CO3 দ্রবণ প্রস্তুতি বর্ণনা কর । Read More »

ল্যাবরেটরিতে কীভাবে বিভিন্ন মােলারিটির দ্রবণ প্রস্তুতকরণ করা যায় ?

ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন মােলারিটির দ্রবণ প্রস্তুতকরণ: ল্যাবরেটরিতে মােলার দ্রবণ, ডেসিমােলার দ্রবণ, সেমিমােলার দ্রবণ ইত্যাদি প্রস্তুত করার প্রয়ােজন হয়। প্রথমত একটি নির্দিষ্ট আয়তনের আয়তনিক ফ্লাস্ক বাছাই করতে হবে। দ্বিতীয়ত যে পদার্থের দ্রবণ তৈরি করতে হবে সেই পদার্থের নির্দিষ্ট পরিমাণ ওজন করে নিয়ে আয়তনিক ফ্লাস্কে ঢেলে নিতে হবে। তৃতীয়ত আয়তনিক ফ্লাস্কের  মধ্যে খানিকটা পানি যােগ করে ঝাঁকিয়ে পদার্থটির …

ল্যাবরেটরিতে কীভাবে বিভিন্ন মােলারিটির দ্রবণ প্রস্তুতকরণ করা যায় ? Read More »

রূপান্তরিত শিলা কাকে বলে? রূপান্তরিত শিলা কী? রূপান্তরিত শিলা বলতে কী বোঝ?

রূপান্তরিত শিলা: আগ্নেয় শিলা, পাললিক শিলা বিভিন্ন তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে নতুন ধরনের যে শিলা তৈরি হয় সেগুলােকে রূপান্তরিত শিলা বলে। যেমন: কয়লা।

পাললিক শিলা কাকে বলে?পাললিক শিলা বলতে কী বোঝ? পাললিক শিলা কী?

পাললিক শিলা: আবহাওয়া ও জলবায়ু ইত্যাদি পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টির পানি, বাতাস, কুয়াশা, ঝড় ইত্যাদির কারণে মাটির উপরিভাগের ভূ-ত্বকের কাদামাটি, বালিমাটি ইত্যাদি ধুয়ে কোনাে কোনাে জায়গায় পলি আকারে জমা হয় তারপরে পলির মধ্যে জমে থাকা কণাগুলাে বিভিন্ন স্তরে স্তরে সজ্জিত হয়ে যে শিলা তৈরি হয় তাকে পাললিক শিলা বলে। যেমন— বেলেপাথর।

পলি কাকে বলে? পলি বলতে কী বোঝ? পলি কী?

আবহাওয়া ও জলবায়ু ইত্যাদি পরিবর্তনের ফলে বৃষ্টির পানি, বাতাস, কুয়াশা, ঝড় ইত্যাদির কারণে মাটির উপরিভাগের ভূ-ত্বকের কাদামাটি, বালিমাটি ইত্যাদি ধুয়ে যে তলানি জমে তাকে পলি বলে। 

আগ্নেয় শিলা কাকে বলে? আগ্নেয় শিলা বলতে কী বোঝ? আগ্নেয় শিলা কী?

আগ্নেয় শিলা: আগ্নেয়গিরি থেকে যে গলিত পদার্থসমূহের মিশ্রণ বের হয় তাকে ম্যাগমা বলে। ম্যাগমা যখন ঠাণ্ডা হয়ে কঠিন পদার্থে পরিণত হয় তখন তাকে আগ্নেয় শিলা বলে। যেমন—গ্রানাইট। আগ্নেয় শিলা থেকে অনেক মূল্যবান খনিজ পাওয়া যায়।

শিলা সাধারণত কত প্রকার ও কী কী? শিলার প্রকারভেদ আলোচনা কর।

শিলার প্রকারভেদ: শিলা যেভাবে তৈরি হয়েছে তার উপর ভিত্তি করে শিলা সাধারণত তিন প্রকার: যথা (i) আগ্নেয় শিলা (ii) পাললিক শিলা   ও (ii) রূপান্তরিত শিলা

ভূত্বকের প্রধান উপাদানগুলোর শতকরা পরিমাণ কত?

ভূত্বকের প্রধান উপাদানসমূহ: ভূত্বক হলো পৃথিবীর উপরিভাগে বাহিরের দিকের আবরণ। এর প্রধান প্রধান উপাদানসমূহ নিম্নরূপ: ম্যাগনেসিয়াম =২%, অন্যান্য =২%, সােডিয়াম=৩%, পটাশিয়াম=৩%, ক্যালসিয়াম =৪% , আয়রন= ৫% , অ্যালুমিনিয়াম= (৮)৮.৪% , সিলিকন= ২৭%, অক্সিজেন =৪৬%

ভূত্বক কাকে বলে ? ভূত্বক বলতে কী বোঝ ? ভূত্বক কী ?

ভূত্বক: পৃথিবীর উপরিভাগে বাহিরের দিকের আবরণকে  ভূত্বক বলে। পৃথিবী সৃষ্টির সময় অত্যন্ত উত্তপ্ত ছিল । কোটি কোটি বছর ধরে ঘূর্ণন ও তাপ বিকিরণের ফলে এটি ধীরে ধীরে শীতল হয়ে তরল অবস্থায় প্রাপ্ত হয়। এই তরল অবস্থা থেকে তাপ বিকিরণের ফলে পৃথিবীর উপরিভাগ ধীরে ধীরে জমাট বেঁধে কঠিন হয়ে ভূত্বক গঠিত হয় ।

খনিজগুলােকে খনিজ সম্পদ বলা হয় কেন ? খনিজগুলােকে একত্রে কী বলে এবং কেন?

আমাদের দেশে প্রচুর পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস পাওয়া যায় যা রান্নার কাজে, যানবাহনের জ্বালানি হিসেবে, বিদ্যুৎ উৎপাদনে বা বিভিন্ন শিল্পকারখানায় কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে পেট্রোলিয়ামের খনিজ রয়েছে, যা তারা সারা পৃথিবীতে রপ্তানি করছে এবং সমস্ত পৃথিবীর খনিজ তেলের চাহিদা পূরণ করছে। দক্ষিণ আফ্রিকাতে রয়েছে সােনা ও হীরার খনিজ। এছাড়া বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন …

খনিজগুলােকে খনিজ সম্পদ বলা হয় কেন ? খনিজগুলােকে একত্রে কী বলে এবং কেন? Read More »

খনিজ কত প্রকার ও কী কী? খনিজের প্রকারভেদ আলোচনা করো।

খনিজের প্রকারভেদ: খনিজ পদার্থ বিভিন্ন অর্থে বিভিন্ন প্রকারের। মৌল ও যৌগ বিবেচনায় খনিজ পদার্থ দুই প্রকার। যথা : মৌলিক খনিজ ও যৌগিক খনিজ। মৌলিক খনিজ : যে সকল খনিজকে প্রকৃতিতে মৌলিক পদার্থ রূপে পাওয়া যায় তাদেরকে মৌলিক খনিজ বলে। যেমন –স্বর্ণ, হীরা, গন্ধক, ইত্যাদি  যৌগিক খনিজ : যে সকল খনিজকে প্রকৃতিতে যৌগিক পদার্থ রূপে পাওয়া …

খনিজ কত প্রকার ও কী কী? খনিজের প্রকারভেদ আলোচনা করো। Read More »

খনিজ কাকে বলে? খনিজ বলতে কী বোঝ? খনিজ কী? খনিজের সংজ্ঞা লেখ।

খনিজের সংজ্ঞা: মাটি, পানি বা বায়ুমণ্ডলের যে অংশ থেকে বিভিন্ন ধাতু, অধাতু, উপধাতু বা তাদের বিভিন্ন যৌগ সংগ্রহ করা হয় তাকে খনিজ বলে।

কোনাে দ্রবণে একের অধিক প্রকারের ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন উপস্থিত থাকলে তাদের বিজারিত ও জারিত ( চার্জমুক্ত ) হওয়ার নিয়ম ব্যাখ্যা করো ।

ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের বিজারিত ও জারিত ( চার্জমুক্ত ) হওয়ার নিয়ম: কোনাে দ্রবণে একের অধিক প্রকারের ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন উপস্থিত থাকলে ক্যাথােডে কোনাে ক্যাটায়ন আগে গিয়ে চার্জমুক্ত (বিজারিত) হবে বা অ্যানােডে কোন অ্যানায়ন আগে গিয়ে চার্জমুক্ত (জারিত) হবে তা তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। যেমন: (i) ক্যাটায়ন বা অ্যানায়নের চার্জমুক্ত হওয়ার প্রবণতা তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় …

কোনাে দ্রবণে একের অধিক প্রকারের ক্যাটায়ন ও অ্যানায়ন উপস্থিত থাকলে তাদের বিজারিত ও জারিত ( চার্জমুক্ত ) হওয়ার নিয়ম ব্যাখ্যা করো । Read More »

প্লাটিনাম তড়িৎদ্বার ও গাঢ় NaCl দ্রবণের তড়িৎ বিশ্লেষণ বর্ণনা করো / ব্রাইনে তড়িৎ বিশ্লেষণ বর্ণনা করো ।

একটি কাচ বা চিনামাটির পাত্রে গাঢ় সােডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবণ নেওয়া হয়। গাঢ় সােডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবনের  মধ্যে সােডিয়াম আয়ন (Na+) ও ক্লোরাইড (Cl–) আয়ন থাকে। সােডিয়াম আয়ন ও ক্লোরাইড আয়ন চলাচল (migrate) করতে পারে। গাঢ় সােডিয়াম ক্লোরাইড দ্রবনের মধ্যে দুটি ধাতব দন্ড বা গ্রাফাইট দণ্ড প্রবেশ করানাে হয়। এ দণ্ড দুটির একটিকে ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে …

প্লাটিনাম তড়িৎদ্বার ও গাঢ় NaCl দ্রবণের তড়িৎ বিশ্লেষণ বর্ণনা করো / ব্রাইনে তড়িৎ বিশ্লেষণ বর্ণনা করো । Read More »

গলিত সােডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণের কৌশল বর্ণনা করো।

গলিত সােডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণের কৌশল: একটি কাচ বা চিনামাটির পাত্রে গলিত সােডিয়াম ক্লোরাইড নেওয়া হয়। গলিত সােডিয়াম ক্লোরাইডের মধ্যে সােডিয়াম আয়ন (Na+) ও ক্লোরাইড (Cl–) আয়ন থাকে। সােডিয়াম আয়ন ও ক্লোরাইড আয়ন চলাচল (migrate) করতে পারে। গলিত সােডিয়াম ক্লোরাইডের মধ্যে দুটি ধাতব দন্ড বা গ্রাফাইট দণ্ড প্রবেশ করাই। এ দণ্ড দুটির একটিকে ব্যাটারির ধনাত্মক …

গলিত সােডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণের কৌশল বর্ণনা করো। Read More »

তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ কাকে বলে? তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ কাকে বলে?

তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ: যে পাত্রে তড়িৎ বিশ্লেষণ চালানো হয় অর্থাৎ যে পাত্রে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের মধ্যে বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানাে হয় তাকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ বলে।

তড়িৎ বিশ্লেষণ (Electrolysis) কাকে বলে? তড়িৎ বিশ্লেষণ বলতে কী বোঝ?

গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহনের সময় উক্ত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের যে রাসায়নিক বিক্রিয়া সংঘটিত হয় তাকে তড়িৎ বিশ্লেষণ (Electrolysis) বলা হয়। যেমন-গলিত সােডিয়াম ক্লোরাইডের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহ চালনা করলে অ্যানােডে ক্লোরিন গ্যাস আর ক্যাথােডে সােডিয়াম ধাতু উৎপন্ন হওয়াই সােডিয়াম ক্লোরাইডের তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়া: 2NaCl(l) → 2Na(s) + Cl2(g)

তড়িৎদ্বার (Electrode) কাকে বলে? তড়িৎদ্বার বলতে কী বোঝ? Electrode কী?

তড়িৎদ্বার (Electrode): তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বিগলিত বা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্যের মধ্যে যে দুটি ইলেকট্রনীয় পরিবাহী অর্থাৎ ধাতব দণ্ড বা গ্রাফাইট দন্ড প্রবেশ করানাে হয় তাদেরকে তড়িৎদ্বার বলা হয়।

তড়িৎ অবিশ্লেষ্য কাকে বলে? তড়িৎ অবিশ্লেষ্য বলতে কী বোঝ?

তড়িৎ অবিশ্লেষ্য: যেসব পদার্থ কঠিন, গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে।যেমন-চিনি, গ্লুকোজ ।

মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য (Weak Electrolyte) বলতে কী বোঝ? মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য কী?

মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য (Weak Electrolyte): যে সকল তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে খুব অল্প পরিমাণে আয়নিত অবস্থায় থাকে তাদেরকে মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। যেমন: পানি (H2O), ইথানয়িক এসিড (CH3COOH) ইত্যাদি।

তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলতে কী বুঝো ? তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য কাকে বলে?

তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য (Strong Electrolyte): যে সকল তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে বা গলিত অবস্থায় সম্পূর্ণরূপে আয়নিত অবস্থায় থাকে তাদেরকে তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। যেমন—সােডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), কপার সালফেট (CuSO4), সালফিউরিক এসিড (H2SO4) ইত্যাদি।

তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের উদাহরণ। কয়েকটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের নাম লেখো।

তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের উদাহরণ: আয়নিক যৌগ এবং কিছু পােলার সমযােজী যৌগ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় তড়িৎ বিশ্লেষ্য পরিবাহী হয়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সােডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl), কপার সালফেট (CuSO4), সালফিউরিক এসিড (H2SO4), পানি (H2O), ইথানয়িক এসিড (CH3COOH) ইত্যাদি গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে।

তড়িৎ বিশ্লেষ্য কত প্রকার ও কী কী ? তড়িৎ বিশ্লেষ্যপদার্থের প্রকারভেদ।

তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের প্রকেরভেদ: তড়িৎ তড়িৎ বিশ্লেষ্য দুই প্রকার। যথা (i) তীব্র তড়িৎ বিশ্লেষ্য (Strong Electrolyte) (ii) মৃদু তড়িৎ বিশ্লেষ্য (Weak Electrolyte)

তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে কেন ?

তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করার কারণ: বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য প্রয়ােজন বিচ্ছিন্ন ধনাত্মক বা ঋণাত্মক আয়ন। তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় আয়নিত অবস্থায়(বিচ্ছিন্ন ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আয়ন হিসেবে অবস্থান করে) থাকে। এই আয়নের মাধ্যমে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন করে। 

তড়িৎ বিশ্লেষ্য (Electrolyte)কাকে বলে? তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলতে কী বোঝ?

তড়িৎ বিশ্লেষ্য (Electrolyte): যেসব পদার্থ কঠিন অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে না কিন্তু গলিত বা দ্রবীভূত অবস্থায় বিদ্যুৎ পরিবহন করে এবং বিদ্যুৎ পরিবহনের সাথে সাথে ঐ পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটায় তাদেরকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থ বলে।

ধাতব পরিবাহী বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বিদ্যুৎ পরিবহন করে কেন ?

ধাতব পরিবাহী বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বিদ্যুৎ পরিবহন কারণ: ধাতুর মধ্যে ধাতব বন্ধন বিদ্যমান। এখানে প্রচুর পরিমাণে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। গ্রাফাইটেও মুক্ত ইলেকট্রন থাকে। এজন্য এ সকল পদার্থের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়। সকল পরিবাহীকে ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বলে। 

ধাতব পরিবাহী বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী (Electronic conductor)কাকে বলে ?

ধাতব পরিবাহী বা ইলেকট্রনীয় পরিবাহী (Electronic conductor): যেসব পদার্থের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয় এবং এই সময় কোনোরূপ রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটেনা,সেসব পরিবাহীকে ইলেকট্রনীয় পরিবাহী বলে। যেমন- লােহা (Fe), কপার  (Cu), নিকেল (Ni) ইত্যাদি  সকল  ধাতু ও গ্রাফাইট  ইলেকট্রনীয় পরিবাহী।

বিদ্যুৎ পরিবাহী কত প্রকার ও কী কী ? বিদ্যুৎ পরিবাহী প্রকেরভেদ

বিদ্যুৎ পরিবাহী প্রকেরভেদ: বিদ্যুৎ পরিবহনের কৌশলের উপর নির্ভর করে বিদ্যুৎ পরিবাহী দুই প্রকার হতে পারে। যথা: (i) ইলেকট্রনীয় পরিবাহী এবং (ii) তড়িৎ বিশ্লেষ্য।

বিদ্যুৎ পরিবাহী(CONDUCTOR) কাকে বলে ? বিদ্যুৎ পরিবাহী বলতে কী বোঝ?

যে সকল পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে তাদেরকে বিদ্যুৎ পরিবাহী পদার্থ বলে। যেমন- ধাতু, গ্রাফাইট, গলিত লবণ, লবণের দ্রবণ, এসিড ও ক্ষারের দ্রবণ প্রভৃতি বিদ্যুৎ পরিবাহীর উদাহরণ।

তড়িৎ রাসায়নিক কোষের সংগঠন বর্ণনা করো ।

তড়িৎ রাসায়নিক কোষের সংগঠন: যে যন্ত্রের সাহায্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে রাসায়নিক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে অথবা বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানাে হয় তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে। তড়িৎ রাসায়নিক কোষে একই বা দুইটি ভিন্ন তড়িৎ বিশ্লেষ্যের দ্রবণে দুইটি ধাতব দণ্ড বা গ্রাফাইট দণ্ডই আংশিক ডুবানাে থাকে। অতঃপর দণ্ড দুটিকে একটি ধাতব তার দিয়ে …

তড়িৎ রাসায়নিক কোষের সংগঠন বর্ণনা করো । Read More »

তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ কাকে বলে ? তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ বলতে কী বোঝ?

তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ (Electrolytic cell): যে কোষে বাইরের কোনাে উৎস থেকে তড়িৎ প্রবাহিত করে কোষের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানাে যায় সেই কোষকে তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ বলে।

তড়িৎ রাসায়নিক কোষ কাকে বলে? তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলতে কী বোঝ?

যে যন্ত্রের সাহায্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে রাসায়নিক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে অথবা বিদ্যুৎ শক্তি ব্যবহার করে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানাে হয় তাকে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ বলে।

রাসায়নিক শক্তি ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব আলোচনা করো ।

রাসায়নিক শক্তি ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব: আমরা শক্তি পাবার জন্য জ্বালানি পােড়াচ্ছি। মূলত আমরা জ্বালানির মাধ্যমে রাসায়নিক শক্তিকে ব্যবহার করছি। যদিও বর্তমান বিশ্বে সৌরশক্তি, নিউক্লিয়ার শক্তি, বাতাসের শক্তি, স্রোতের শক্তিকেও কাজে লাগানাে হচ্ছে, তবু জীবাশ্ম জ্বালানিই আমাদের প্রয়ােজনীয় শক্তির সিংহভাগ জোগান দেয়। প্রতিবছর জ্বালানি পুড়িয়ে 21.3 বিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড তৈরি করা হচ্ছে। গাছ সালােক সংশ্লেষণ …

রাসায়নিক শক্তি ব্যবহারের নেতিবাচক প্রভাব আলোচনা করো । Read More »

ইথানল কী ? এর ব্যবহার ও গুরুত্ব সমন্ধে আলোচনা করো ।

ইথানল এর ব্যবহার ও গুরুত্ব: ইথানলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার ইথানল, যার অপর নাম ইথাইল অ্যালকোহল। এর রাসায়নিক সংকেত CH3-CH2-OH ।এটি একটি দাহ্য তরল রাসায়নিক পদার্থ। খনিজ জ্বালানি যেমন— কেরােসিন, পেট্রোল, ডিজেল প্রভৃতির মতাে ইথানলকে পােড়ালে তাপ উৎপন্ন হয়। তাহলে খনিজ জ্বালানির মতাে ইথানলকে তাপ ইঞ্জিনের জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে কলকারখানা, গাড়ি, বিমান, জাহাজ প্রভৃতি চালানাে …

ইথানল কী ? এর ব্যবহার ও গুরুত্ব সমন্ধে আলোচনা করো । Read More »

ইথানলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার অথবা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় কেন ?

ইথানল-এর অপর নাম ইথাইল অ্যালকোহল। এর রাসায়নিক সংকেত CH3-CH2-OH। জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন কেরােসিন, ডিজেল, পেট্রল প্রভৃতির মতাে ইথানলকে পােড়ালেও তাপ উৎপন্ন হয়। তাই জীবাশ্ম জ্বালানির মতাে ইথানলকেও তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করে কলকারখানা, গাড়ি, বিমান, জাহাজ প্রভৃতি চালানাে যেতে পারে। উত্তর আমেরিকাসহ অনেক দেশে জীবাশ্ম জ্বালানির সাথে ইথানলকে মিশিয়ে তাপ ইঞ্জিনে ব্যবহার করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সব …

ইথানলকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার অথবা বিকল্প জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয় কেন ? Read More »

ফটোক্যামিক্যাল ধোঁয়া(photochemical smog) কী?

যানবাহন থেকে নির্গত ধোঁয়ায় কার্বন মনােক্সাইড, নাইট্রাস অক্সাইড ও অব্যবহৃত জ্বালানি সূর্যের আলাের উপস্থিতিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় মাধ্যমে যে বিষাক্ত গ্যাসের ধোঁয়া সৃষ্টি করে তাকে ফটোক্যামিক্যাল ধোঁয়া বলে।

নিচের টেবিল এর বন্ধন এবং বন্ধন শক্তি বলতে কী বোঝো ?

C-H এর বন্ধন শক্তি 414 কিলােজুল/মােল। এ তথ্য থেকে বােঝা যায় 1 মােল C-H বন্ধনকে ভাঙতে 414 কিলােজুল তাপ দিতে হয়। অথবা অন্যভাবে বলা যায়, 1 মােল C-H বন্ধন তৈরি হতে 414 কিলােজুল তাপ নির্গত হয়।

রাসায়নিক শক্তির যথাযথ ব্যবহার করা উচিত কেন?

রাসায়নিক শক্তির যথাযথ ব্যবহার করা উচিত: পেট্রোলিয়াম, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস এগুলােকে জীবাশ্ম জ্বালানি বলে। এসব জ্বালানির মাঝে রাসায়নিক শক্তি জমা থাকে। এসব জ্বালানির দহন ঘটিয়ে বা জ্বালানিকে অক্সিজেনে পােড়ালে জ্বালানির মধ্যে বিদ্যমান রাসায়নিক শক্তি থেকে আমরা তাপশক্তি পাই। এই তাপশক্তি ব্যবহার করে আমরা রান্না, গাড়ি চালানাে, বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ নানা ধরনের কাজ করছি। এসব জীবাশ্ম জ্বালানি …

রাসায়নিক শক্তির যথাযথ ব্যবহার করা উচিত কেন? Read More »

জ্বালানির বিশুদ্ধতার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো । জ্বালানির বিশুদ্ধতার প্রয়জোনীয়তা।

রাসায়নিক শক্তির আধার হিসেবে আমরা নানা ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করি। বিশেষ করে কাঠ, প্রাকৃতিক গ্যাস, পেট্রোলিয়াম প্রভৃতি আমরা প্রতিনিয়ত ব্যবহার করে যাচ্ছি। এ সমস্ত জ্বালানি বিশুদ্ধ হওয়া একান্ত জরুরি। স্বল্প বায়ুর উপস্থিতিতে এসব জ্বালানি পােড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সাথে কার্বন মনােক্সাইড উৎপন্ন হয়, যেটি বিষাক্ত একটি গ্যাস। এগুলাে আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। প্রকৃতিতে যে জ্বালানি …

জ্বালানির বিশুদ্ধতার গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো । জ্বালানির বিশুদ্ধতার প্রয়জোনীয়তা। Read More »

রাসায়নিক শক্তি এবং রাসায়নিক শক্তি থেকে পাওয়া বিভিন্ন শক্তির ব্যবহার সমন্ধে আলোচনা করো ।

রাসায়নিক শক্তি এবং রাসায়নিক শক্তি থেকে পাওয়া বিভিন্ন শক্তির ব্যবহার: পদার্থের অণু-পরমাণুর মধ্যে রাসায়নিক শক্তি সঞ্চিত থাকে। একটি পদার্থ যখন আরেকটি পদার্থের সাথে বিক্রিয়া করে তখন রাসায়নিক শক্তি পাওয়া যায়। এ শক্তিকে পরবর্তীতে বিভিন্ন শক্তিতে রূপান্তর করে আমাদের বিভিন্ন কাজে লাগাই। পৃথিবীতে সকল প্রকার শক্তির মাঝে রাসায়নিক শক্তি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। রান্নার কাজে আমরা …

রাসায়নিক শক্তি এবং রাসায়নিক শক্তি থেকে পাওয়া বিভিন্ন শক্তির ব্যবহার সমন্ধে আলোচনা করো । Read More »

ডেনিয়েল সেলে কীভাবে শক্তির রূপান্তর ঘটে ?

ডেনিয়েল সেলে শক্তির রূপান্তর: আমরা বাসে, ট্রাকে যে ব্যাটারি দেখে থাকি তা মূলত ডেনিয়েল সেল। জিংক সালফেট লবণের দ্রবণের মধ্যে জিংক ধাতুর দণ্ড এবং কপার সালফেট লবণের দ্রবণের মধ্যে কপার ধাতুর দণ্ড ব্যবহার করে ডেনিয়েল সেল তৈরি করা হয়। এতে নিচের বিক্রিয়া ঘটে: Zn(s) + CuSO4 (aq) → ZnSO4 (aq) + Cu(s) এ বিক্রিয়ার মাধ্যমে …

ডেনিয়েল সেলে কীভাবে শক্তির রূপান্তর ঘটে ? Read More »

ড্রাই সেলে কীভাবে শক্তির রূপান্তর ঘটে ?

ড্রাই সেলে কীভাবে শক্তির রূপান্তর: ড্রাই সেলের মধ্যে যে সকল রাসায়নিক পদার্থ থাকে তাদের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। এই রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে রাসায়নিক শক্তি রূপান্তরিত হয়ে বিদ্যুৎ শক্তিতে পরিণত হয়। অর্থাৎ রাসায়নিক শক্তি → বিদ্যুৎ শক্তি

আতশবাজিতে কীভাবে শক্তির রূপান্তর ঘটে ?

আতশবাজিতে কীভাবে শক্তির রূপান্তর: আতশবাজি থেকে আলাে, শব্দ ও যান্ত্রিক শক্তি (গতিশক্তি) পাওয়া যায়। আতশবাজির মাঝে যে রাসায়নিক পদার্থগুলাে থাকে তাদের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে আর রাসায়নিক শক্তি থেকে আলাে, শব্দ ও যান্ত্রিক শক্তি পাওয়া যায়। অর্থাৎ আতশবাজি (রাসায়নিক শক্তি)→আলাে +  শব্দ + যান্ত্রিক শক্তি 

জ্বালানি পােড়ানাে হলে মূলত কী ঘটে ? দহন বা পােড়ানাে কী ? মিথেনে দহন করলে কী ঘটে ?

কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস, কাঠ ইত্যাদি পােড়ালে তাপ ও আলােক শক্তি পাওয়া যায়। এ শক্তি মূলত এ পদার্থগুলাের মধ্যে বিদ্যমান রাসায়নিক শক্তি থেকে পাওয়া যায়। দহন বা পােড়ানাে হলাে কোনাে পদার্থকে বায়ুর অক্সিজেন এর সাথে বিক্রিয়া করানো। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলাে মিথেন (CH4)। মিথেনে যখন দহন ঘটে অর্থাৎ মিথেনকে যখন অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া ঘটানাে হয় …

জ্বালানি পােড়ানাে হলে মূলত কী ঘটে ? দহন বা পােড়ানাে কী ? মিথেনে দহন করলে কী ঘটে ? Read More »

CH4 + Cl2 → CH3Cl + HCl বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপের পরিবর্তন H হিসাব করাে। দেওয়া আছে, C-H বন্ধন শক্তি 414 কিলােজুল/মােল, C-Cl বন্ধন শক্তি 326 কিলােজুল/মােল, Cl-Cl বন্ধন শক্তি 244 কিলােজুল/মােল, H-Cl বন্ধন শক্তি 431 কিলােজুল/মােল।

সমাধান:  CH4 + Cl2 → CH3Cl + HCl       H                             H        |                               |                        H- …

CH4 + Cl2 → CH3Cl + HCl বিক্রিয়ার বিক্রিয়া তাপের পরিবর্তন H হিসাব করাে। দেওয়া আছে, C-H বন্ধন শক্তি 414 কিলােজুল/মােল, C-Cl বন্ধন শক্তি 326 কিলােজুল/মােল, Cl-Cl বন্ধন শক্তি 244 কিলােজুল/মােল, H-Cl বন্ধন শক্তি 431 কিলােজুল/মােল। Read More »

O=O এর বন্ধন শক্তি 498 কিলােজুল/মােল বলতে কী বোঝো ?

O=O এর বন্ধন শক্তি 498 কিলােজুল/মােল। এ তথ্য থেকে বােঝা যায় 1 মােল O=O বন্ধনকে ভাঙতে 498 কিলােজুল তাপ দিতে হয়। অথবা অন্যভাবে বলা যায়, 1 মােল O=O বন্ধন তৈরি হতে 498 কিলােজুল তাপ নির্গত হয়।

বন্ধন শক্তি ব্যবহার করে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপের পরিবর্তন ΔHএর মান কীভাবে নির্ণয় করবে?

বন্ধন শক্তি ব্যবহার করে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপের পরিবর্তন ডেলটা ΔH এর মান নির্ণয়: রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময় বিক্রিয়কগুলাের মধ্যে যে বন্ধনগুলাে আছে সেই বন্ধনগুলাে ভেঙে যায় এবং উৎপাদগুলাের মধ্যে নতুন নতুন বন্ধন তৈরি হয়। বিক্রিয়কগুলাের বন্ধন ভাঙ্গার জন্য শক্তি দিতে হয় এবং উৎপাদগুলাের বন্ধন তৈরি হতে শক্তি নির্গত হয়। যেকোনাে বিক্রিয়ায় বিক্রিয়কগুলাের মােট …

বন্ধন শক্তি ব্যবহার করে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপের পরিবর্তন ΔHএর মান কীভাবে নির্ণয় করবে? Read More »

রাসায়নিক বিক্রিয়া(CHEMICAL REACTION) সম্পন্ন হওয়ার সময় আসলে কী ঘটে ?

রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময় বিক্রিয়কগুলাের মধ্যে যে বন্ধনগুলাে আছে সেই বন্ধনগুলাে ভেঙে যায় এবং উৎপাদগুলাের মধ্যে নতুন নতুন বন্ধন তৈরি হয়। বিক্রিয়কগুলাের বন্ধন ভাঙ্গার জন্য শক্তি দিতে হয় এবং উৎপাদগুলাের বন্ধন তৈরি হতে শক্তি নির্গত হয়।

C2H5OH + CH3COOH⇄CH3COOC2H5 + H2O বিক্রিয়াটিকে উভমুখী বিক্রিয়া বলা হয় কেন তা ব্যাখ্যা করো।

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হয় আবার উৎপাদ পদার্থগুলাে বিক্রিয়া করে পুনরায় বিক্রিয়ক পদার্থে পরিণত হয় তাকে উভমুখী বিক্রিয়া বলে। উভমুখী বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক হতে উৎপাদে পরিণত হওয়ার বিক্রিয়াকে সম্মুখমুখী বিক্রিয়া বলে । আবার  উৎপাদ হতে বিক্রিয়কে পরিণত হওয়ার বিক্রিয়াকে পশ্চাৎমুখী বা বিপরীতমুখী বিক্রিয়া বলা হয়। উভমুখী বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক ও উৎপাদের মধ্যে …

C2H5OH + CH3COOH⇄CH3COOC2H5 + H2O বিক্রিয়াটিকে উভমুখী বিক্রিয়া বলা হয় কেন তা ব্যাখ্যা করো। Read More »

সব বিক্রিয়াই উভমুখী হলেও কিছু বিক্রিয়াকে একমুখী মনে হয় কেন ?

উপযুক্ত শর্তে সব বিক্রিয়াই উভমুখী, তবে কিছু বিক্রিয়ার বেলায় সম্মুখমুখী বিক্রিয়ার তুলনায় বিপরীতমুখী বিক্রিয়ার পরিমাণ এত কম থাকে যে বিক্রিয়াকে একমুখী মনে হয়।  

পশ্চাৎমুখী বা বিপরীতমুখী বিক্রিয়া কাকে বলে?

পশ্চাৎমুখী বা বিপরীতমুখী বিক্রিয়া: উভমুখী বিক্রিয়ায় উৎপাদ হতে বিক্রিয়কে পরিণত হওয়ার বিক্রিয়াকে পশ্চাৎমুখী বা বিপরীতমুখী বিক্রিয়া বলা হয়।

সম্মুখমুখী বিক্রিয়া কাকে বলে ? সম্মুখমুখী বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ?

সম্মুখমুখী বিক্রিয়া: উভমুখী বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক হতে উৎপাদে পরিণত হওয়ার বিক্রিয়াকে সম্মুখমুখী বিক্রিয়া বলে ।

উভমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণ লেখার নিয়ম কী? উভমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণ

উভমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণ লেখার নিয়ম: যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হয় আবার উৎপাদ পদার্থগুলাে বিক্রিয়া করে পুনরায় বিক্রিয়ক পদার্থে পরিণত হয় তাকে উভমুখী বিক্রিয়া বলে। উভমুখী বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক ও উৎপাদের মধ্যে বিপরীতমুখী দুটি অর্ধ তীর চিহ্ন (⇋) ব্যবহার করে সমীকরণ উপস্থাপন করা হয়। যেমন: হাইড্রোক্লোরিক এসিডের উপস্থিতিতে ইথানল ও ইথানয়িক এসিড …

উভমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণ লেখার নিয়ম কী? উভমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণ Read More »

উভমুখী বিক্রিয়া কাকে বলে? উভমুখী বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? উভমুখী বিক্রিয়া কী?

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থ বিক্রিয়া করে উৎপাদে পরিণত হয় আবার উৎপাদ পদার্থগুলাে বিক্রিয়া করে পুনরায় বিক্রিয়ক পদার্থে পরিণত হয় তাকে উভমুখী বিক্রিয়া বলে।  যেমন: হাইড্রোক্লোরিক এসিডের উপস্থিতিতে ইথানল ও ইথানয়িক এসিড পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে ইথাইল ইথানয়েট এস্টার ও পানি উৎপন্ন করে। অপরদিকে, উৎপন্ন ইথাইল ইথানয়েট এস্টার ও পানি পরস্পরের সাথে বিক্রিয়া করে ইথানল …

উভমুখী বিক্রিয়া কাকে বলে? উভমুখী বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? উভমুখী বিক্রিয়া কী? Read More »

একমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণ লেখার নিয়ম কী?

একমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণে বিক্রিয়ক ও উৎপাদের মধ্যে একটি ডানমুখী তীর চিহ্ন (→) ব্যবহার করা হয়। যেমন:খোলা পাত্রে  ক্যালসিয়াম কার্বনেটকে উত্তপ্ত করলে ক্যালসিয়াম কার্বনেট ভেঙে গিয়ে কঠিন চুন ও গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়।  CaCO3 (s) → CaO (s) + CO2(g) গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া পাত্র থেকে অপসারিত হয় এ অবস্থায় কঠিন চুন পুনরায় ক্যালসিয়াম কার্বনেটে …

একমুখী বিক্রিয়ার সমীকরণ লেখার নিয়ম কী? Read More »

একমুখী বিক্রিয়া কাকে বলে ? একমুখী বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? একমুখী বিক্রিয়া কী?

যে রাসায়নিক বিক্রিয়ায় বিক্রিয়ক পদার্থগুলাে উৎপাদে পরিণত হয়, কিন্তু উৎপাদ পদার্থগুলাে পুনরায় বিক্রিয়কে পরিণত হয় না তাকে একমুখী বিক্রিয়া বলা হয়।  খোলা পাত্রে  ক্যালসিয়াম কার্বনেটকে উত্তপ্ত করলে ক্যালসিয়াম কার্বনেট ভেঙে গিয়ে কঠিন চুন ও গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হয়।  CaCO3 (s) → CaO (s) + CO2(g) গ্যাসীয় কার্বন ডাই-অক্সাইড বিক্রিয়া পাত্র থেকে অপসারিত হয়। এ …

একমুখী বিক্রিয়া কাকে বলে ? একমুখী বিক্রিয়া বলতে কী বোঝ? একমুখী বিক্রিয়া কী? Read More »

বিক্রিয়ার দিকের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?

বিক্রিয়ার দিকের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়ার শ্রেণিবিভাগ: বিক্রিয়ার দিকের উপর ভিত্তি করে রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: একমুখী বিক্রিয়া ও উভমুখী বিক্রিয়া।

ভৌত পরিবর্তন ও রাসায়নিক পরিবর্তন এর মধ্যে পার্থক্য লেখ ।

ভৌত পরিবর্তন ও রাসায়নিক পরিবর্তন এর মধ্যে পার্থক্য: ভৌত পরিবর্তন রাসায়নিক পরিবর্তন যে পরিবর্তনের ফলে কোনাে পদার্থের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক গঠনের কোনাে পরিবর্তন না ঘটে শুধু বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে তাকে ভৌত পরিবর্তন (Physical change) বলে।  যে পরিবর্তনের ফলে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মবিশিষ্ট নতুন পদার্থে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে।  বস্তুর শুধু বাহ্যিক অবস্থার অর্থাৎ ভৌত …

ভৌত পরিবর্তন ও রাসায়নিক পরিবর্তন এর মধ্যে পার্থক্য লেখ । Read More »

ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়া কোন ধরণের পরিবর্তন এবং কোনো তা ব্যাখ্যা করো

ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও  হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়া  রাসায়নিক  পরিবর্তন। রাসায়নিক  পরিবর্তনের সংজ্ঞা থেকে আমরা জানি, যে পরিবর্তনের ফলে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মবিশিষ্ট নতুন পদার্থে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। ক্যালসিয়াম কার্বনেট হাইড্রোক্লোরিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড ও পানি উৎপন্ন করে। এটিও রাসায়নিক পরিবর্তন। CaCO3(s) + 2HCl(aq) → CaCl2(aq) + CO2(g) + H2O(l) …

ক্যালসিয়াম কার্বনেট ও হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়া কোন ধরণের পরিবর্তন এবং কোনো তা ব্যাখ্যা করো Read More »

মিথেনের দহন কোন ধরণের পরিবর্তন এবং কোনো তা ব্যাখ্যা করো।

মিথেনের দহন একটি রাসায়নিক পরিবর্তন। কারণ রাসায়নিক পরিবর্তনের সংজ্ঞা থেকে আমরা জানি, যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে সাথে সাথে অণুর গঠনেরও পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ নতুন ধর্ম বিশিষ্ট নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয় তাকে  রাসায়নিক পরিবর্তন(Chemical Change) বলে। মিথেন(CH4) গ্যাসকে অক্সিজেনে পােড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস, জলীয় বাষ্প এবং তাপ শক্তি উৎপন্ন  হয়।  CH4(g) + O2(g) …

মিথেনের দহন কোন ধরণের পরিবর্তন এবং কোনো তা ব্যাখ্যা করো। Read More »

রাসায়নিক পরিবর্তন (Chemical Change) কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো ।

যে পরিবর্তনের ফলে কোনো পদার্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মবিশিষ্ট নতুন পদার্থে পরিণত হয় তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। অথবা যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে সাথে সাথে অণুর গঠনেরও পরিবর্তন ঘটে অর্থাৎ নতুন ধর্ম বিশিষ্ট নতুন পদার্থের সৃষ্টি হয় তাকে  রাসায়নিক পরিবর্তন(Chemical Change) বলে। যেমন- মিথেন(CH4) গ্যাসকে অক্সিজেনে পােড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস, জলীয় বাষ্প এবং তাপ …

রাসায়নিক পরিবর্তন (Chemical Change) কাকে বলে? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো । Read More »

ভৌত পরিবর্তন (Physical change) কাকে বলে ? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো । কঠিন বরফকে তাপ দিলে জলীয় বাষ্প বা জলীয় বাষ্পকে ঠান্ডা করলে কঠিন বরফে পরিণত হওয়া কী ধরণের পরিবর্তন তা ব্যাখ্যা করো।

যে পরিবর্তনের ফলে কোনাে পদার্থের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক গঠনের কোনাে পরিবর্তন না ঘটে শুধু বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে তাকে ভৌত পরিবর্তন (Physical change) বলে। অথবা যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের শুধু বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে, অণুর গঠনের কোনো পরিবর্তন ঘটে না অর্থাৎ নতুন ধর্ম বিশিষ্ট নতুন কোনো পদার্থের সৃষ্টি হয় না তাকে  ভৌত পরিবর্তন (Physical change) বলে। …

ভৌত পরিবর্তন (Physical change) কাকে বলে ? উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো । কঠিন বরফকে তাপ দিলে জলীয় বাষ্প বা জলীয় বাষ্পকে ঠান্ডা করলে কঠিন বরফে পরিণত হওয়া কী ধরণের পরিবর্তন তা ব্যাখ্যা করো। Read More »

লােহায় মরিচা পড়ার কারণ ব্যাখ্যা করো। মরিচা কীভাবে সৃষ্টি হয়?

লােহায় মরিচা পড়ার কারণ: লােহার (আয়রন বা Fe) তৈরি বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন: ছুরি, কাঁচি, বঁটি, দা ইত্যাদি ব্যবহার করি। এসব যন্ত্রপাতি বাতাসে মুক্ত অবস্থায় রেখে দিলে এদের পৃষ্ঠে মরিচা পড়ে। এখানে আয়রন বাতাসের অক্সিজেন ও জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে আর্দ্র ফেরিক অক্সাইড বা মরিচা তৈরি করে। এতে ধাতুর পৃষ্ঠতল ক্ষয় হয়। মরিচা ঝাঁঝরা জাতীয় …

লােহায় মরিচা পড়ার কারণ ব্যাখ্যা করো। মরিচা কীভাবে সৃষ্টি হয়? Read More »

মরিচা কী? মরিচা কাকে বলে? মরিচা বলতে কী বোঝ?

মরিচা: মরিচা হলো আর্দ্র ফেরিক অক্সাইড অর্থাৎ আর্দ্র ফেরিক অক্সাইডকে মরিচা বলে। মরিচায় পানির অণুর সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়। সুতরাং মরিচার রাসায়নিক সংকেত Fe2O3. nH2O  n এর মান 1, 2, 3 ইত্যাদি যেকোনাে পূর্ণ সংখ্যা হতে পারে।  

সাংকেতিক চিহ্ন ও সাংকেতিক চিহ্নবিশিষ্ট পদার্থের উদাহরণ ।

সাংকেতিক চিহ্ন সাংকেতিক চিহ্নবিশিষ্ট পদার্থের উদাহরণ বিস্ফোরক পদার্থ (Explosive substance) টিএনটি(ট্রাই নাইট্রো টলুইন),জৈব পার-অক্সাইড, নাইট্রোগ্লিসারিন ইত্যাদি এ ধরনের বিস্ফোরক পদার্থ। দাহ্য পদার্থ(Flammable substance) অ্যালকোহল, ইথার ইত্যাদি দাহ্য পদার্থ।  বিষাক্ত পদার্থ (Toxic substance) বেনজিন, ক্লোরােবেনজিন, মিথানল এ ধরনের পদার্থ।  উত্তেজক পদার্থ (Irritant substance) সিমেন্ট ডাস্ট, লঘু এসিড, ক্ষার, নাইট্রাস অক্সাইড ইত্যাদি উত্তেজক পদার্থ  স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থ …

সাংকেতিক চিহ্ন ও সাংকেতিক চিহ্নবিশিষ্ট পদার্থের উদাহরণ । Read More »

সাংকেতিক চিহ্ন ও সাংকেতিক চিহ্নবিশিষ্ট পদার্থের ঝুঁকি ও তার মাত্রা, সাবধানতা উদাহরণসহ সংক্রান্ত বিষয়গুলি ব্যাখ্যা করো।

সাংকেতিক চিহ্ন পদার্থের ঝুঁকি এবং ঝুঁকির মাত্রা সাবধানতা  উদাহরণ   যে সকল পদার্থ অস্থিতিশীল এবং নিজে নিজেই বিক্রিয়া করতে পারে তাদেরকে বিস্ফোরক পদার্থ বলে। বিস্ফোরক পদার্থ চিহ্নবিশিষ্ট পদার্থ থেকে খুব সাবধানে থাকতে হবে। এসব পদার্থ ব্যবহারের সময় মনে রাখতে হবে এসব পদার্থে আঘাত লাগলে বা আগুন লাগলে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ হতে পারে, যার জন্য শরীরের এবং …

সাংকেতিক চিহ্ন ও সাংকেতিক চিহ্নবিশিষ্ট পদার্থের ঝুঁকি ও তার মাত্রা, সাবধানতা উদাহরণসহ সংক্রান্ত বিষয়গুলি ব্যাখ্যা করো। Read More »

পদার্থের ঝুঁকি এবং ঝুঁকির মাত্রা বােঝনাের জন্য সর্বজনীন সাংকেতিক চিহ্ন কীভাবে নির্ধারণ করা হয়?

পদার্থের ঝুঁকি এবং ঝুঁকির মাত্রা বােঝনাের জন্য সর্বজনীন সাংকেতিক চিহ্ন:  যেকোনাে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের আগেই আমাদের সেই রাসায়নিক দ্রব্যটির প্রকৃতি অর্থাৎ সেটি কি বিস্ফোরক অথবা দাহ্য নাকি তেজস্ক্রিয় তা জেনে নিতে হবে। সেটি বােঝানাের জন্য রাসায়নিক পদার্থের বােতল বা কৌটার লেবেলে এক ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এ সংক্রান্ত একটি সর্বজনীন নিয়ম (Globally Harmonized …

পদার্থের ঝুঁকি এবং ঝুঁকির মাত্রা বােঝনাের জন্য সর্বজনীন সাংকেতিক চিহ্ন কীভাবে নির্ধারণ করা হয়? Read More »

GLOBALLY HARMONIZED SYSTEM বা G.H.S কী?

GLOBALLY HARMONIZED SYSTEM বা G.H.S: যেকোনাে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহারের আগেই আমাদের সেই রাসায়নিক দ্রব্যটির প্রকৃতি অর্থাৎ সেটি কি বিস্ফোরক অথবা দাহ্য নাকি তেজস্ক্রিয় তা জেনে নিতে হবে। সেটি বােঝানাের জন্য রাসায়নিক পদার্থের বােতল বা কৌটার লেবেলে এক ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এ সংক্রান্ত একটি সর্বজনীন নিয়ম (Globally Harmonized system) চালু আছে । এই …

GLOBALLY HARMONIZED SYSTEM বা G.H.S কী? Read More »

রসায়ন পরীক্ষাগারে আমরা কীভাবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে পারি?

রসায়ন পরীক্ষাগারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা: রসায়ন পরীক্ষাগারে ঢোকা থেকে শুরু করে বের হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি পদক্ষেপে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অসতর্ক হলেই যেকোনাে ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। শরীরকে রক্ষা করতে আমাদের  পরতে হবে নিরাপদ পােশাক বা অ্যাপ্রােন (apron)। রসায়ন গবেষণাগারে ব্যবহৃত অ্যাপ্রােনের হাতা হবে হাতের কবজি পর্যন্ত আর লম্বায় হাঁটুর নিচ পর্যন্ত। এটি হয় সাদা …

রসায়ন পরীক্ষাগারে আমরা কীভাবে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে পারি? Read More »

রসায়ন পরীক্ষাগারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে কেন?

রসায়ন পরীক্ষাগারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা: রসায়নের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা গবেষণা করা হয় তাকে রসায়ন পরীক্ষাগার বা রসায়ন গবেষণাগার (Chemistry Laboratory) বলে। রসায়ন গবেষণাগারে থাকবে বিভিন্ন রাসায়নিক দ্রব্য। প্রায় প্রত্যেকটি রাসায়নিক দ্রব্যই আমাদের জন্য অথবা পরিবেশের জন্য কম-বেশি ক্ষতিকর। কোনাে রাসায়নিক দ্রব্য বিস্ফোরক জাতীয়, কোনাে রাসায়নিক দ্রব্য দাহ্য (সহজেই যাতে আগুন ধরে যায়), কোনােটি আমাদের শরীরের সরাসরি ক্ষতি …

রসায়ন পরীক্ষাগারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে কেন? Read More »

রসায়ন গবেষণাগার (CHEMISTRY LABORATORY)কাকে বলে? রসায়ন গবেষণাগার কী ?

রসায়ন গবেষণাগার(CHEMISTRY LABORATORY): যেখানে রসায়নের পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা গবেষণা করা হয় তাকে রসায়ন পরীক্ষাগার বা রসায়ন গবেষণাগার (Chemistry Laboratory) বলে।

error: Content is protected !!